জয়াখালী, নওয়াবেকীতে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন, জেলা প্রসাশকের হস্তক্ষেপ কামনা


338 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
জয়াখালী, নওয়াবেকীতে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন, জেলা প্রসাশকের হস্তক্ষেপ কামনা
নভেম্বর ৭, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ।।

শ্যামনগর ভেটখালী ব্রীজ সংলগ্ন জয়াখালী পারে মাদার নদী থেকে অবাদে বহাল তবিয়্যাতে স্থানীয় মজিদ গাজীর ছেলে ইমাম গাজী দীর্ঘ দিন ধরে অবাধে বালি উত্তোলন করে অব্যাহত ভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে সে অবৈধ বালির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সরেজমিনে গেলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

অন্য এলাকা থেকে ড্রেজার মেশিন ভাড়া নিয়ে মাদার নদী সহ সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন নদী থেকে বালি উত্তোলন করে প্রকাশ্যে বালি বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন ইমাম আলী।
এদিকে সুন্দরবন সংলগ্ন নদীগুলো থেকে অবাদে এক শ্রেনীর ব্যক্তিরা দীর্ঘ দিন বালি উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পেরে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বুধবার সকালে উপজেলা

সহকারী কমিশনার ( ভুমি) মোঃ আহসান উল্লাহ শরিফী কে বলেন আটুলিয়া ও রমজাননগর তহশীলদারের মাধ্যমে তিন দিনের মাধ্যমে সকল বালি উত্তোলনকারীদের তালিকা তৈরী করে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগরের নওয়াবেকী খোলপেটুয়া নদী থেকে প্রসাশনকে উপেক্ষা করে বহাল তবিয়্যাতে একটি মহল বালি উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

নদীর পাউবোর বেড়ীবাধ ভাঙ্গনকৃত এলাকার সচেতন মহল সাতক্ষীরা জেলা প্রসাশকের জরুরি  হস্তক্ষেপ  কামনা করেছে।
গত কয়েকদিন আগে বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় বালী উত্তোলন করার কারনে ড্রেজার মেশিন চালক আবুল কাশেম সহ দুই জনকে

ভ্রাম্যমান আদালতে ২ লাখ টাকা জরিমনা প্রদান করা হয়। সে কারনে বুড়িগোয়ালিনীতে আপাতত বালী উত্তোলন বন্ধ থাকলে থেমে নেই নওয়াবেকীতে বালী উত্তোলন। নওয়াবেকী বাজার সংলগ্ন খোলপেটুয়া  নদীতে ড্রেজার মেশিন সহ নৌকা লাগিয়ে বালী

উত্তোলনের সাথে বড় কুপট গ্রামের মুনিরুল ইসলাম, মফিজুর  রহমান, আঃ মজিদ,গোলাম হোসেন, রেজাউল করিম, ছাত্তার গাজী জড়িত বলে সরেজমিন গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান। এসকল নৌকা মালিকদের সাথে চুক্তি ভিত্তীক বালী উত্তোলন করে

বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক ভর্তি করে বিক্রী করা হচ্ছে।আর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বহাল তবিয়্যাতে বড় কুপট গ্রামের আজিজ ঢালী,  ছাত্তার ঢালী,নওয়াবেকীর স্কেন্দার, বড় কুপটের নওশের আলী, বিড়ালক্ষী গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন, বিড়ালক্ষী গ্রামের মতিয়ার রহমান, নুরুল হক ,হাফিজুর রহমান ,মফিজুর রহমান সহ ১৫/২০ জনের একটি দল একাজ চালিয়ে যাচ্ছে বহাল তবিয়্যাতে।

তবে বর্তমানে নুরুল হক ও মতিয়ার রহমান বালি উত্তোলনের সাথে জড়িত নেই বলে তারা জানান। কয়েক মাস আগে নওয়াবেকীর কয়েকজন  বালী উত্তোলনকারী কে ভ্রাম্যমান আদালতে ৫০ হাজার টাকা জরিমনা প্রদান করা হয়।

একারনে কিছু দিন বালী উত্তোলন বন্ধ থাকলেও এখন বালী উত্তোলন কারীরা বহাল তবিয়্যাতে। প্রসাশনকে উপেক্ষা করে কিভাবে তারা বালী উত্তোলন করছে? জানতে এলাকার সচেতন মহল।

অবৈধ ভাবে বালী উত্তোলন কারী বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং হবে,জানালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এছাড়া বালী উত্তোলন কারীদের একটি তালিকা  ও হচ্ছে বলে জানা গেছে।
##