শ্যামনগর সদর তহশীল অফিসের বেহাল দশা


455 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগর সদর তহশীল অফিসের বেহাল দশা
ডিসেম্বর ২০, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ :
রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে শ্যামনগর সদর তহশীল অফিসটি অনেক এগিয়ে।
দীর্ঘ কাল ধরে এ অফিসের আসেনি তেমন কোন পরিবর্তন। জরাজীর্ণ জমিদার বাড়ীর পাশে পড়ে আছে এই তহশীল অফিসটি। সুন্দর পোশাকে ফিরে আসে শরীরের অপুরনীয় অনেক ইনার্জী।
চাকচিক্য অফিসে বসে কাজ করার মজাটাই আলাদা।গতানুগতিক ভাবে তহশীল অফিস ভবন গুলো ভগ্নদর্শার মধ্যে পড়ে রয়েছে। যেখান থেকে সরকার প্রতিনিয়ত রাজস্ব পেয়ে থাকে সেই ছোট অফিস গুলোতে নেই কোন উন্নয়ন।যেখানে সাধারন মানুষের জীবনের মহা মুল্যবান সম্পদের  আসল পরিচয় গচ্ছিত থাকে সেখানেই যদি তেলাপোকার মত অন্যান্য পিপড়ার বসবাস থাকে তাহলে আগামীতে এর রেশ সাধারন মানুষ কে বয়ে বেড়াতে হবে।
মন জুড়িয়ে যায় উপজেলার প্রায় দপ্তরের অফিস গুলোতে ঢুকলেই। চাকচিক্য টাইলস্ এর  স্লিপিং ,পা, দিলেই বোঝা যায় আমরা এখন জেলা, বিভাগের মত মনরোম পরিবেশে অবস্থান  করছি
। এ গুলো ছিল শুধু কৌশলগত মনের ব্যাপার।
উপজেলার সর্বোচ্ছ দুই অফিসের সাথে তহশীল অফিস গুলো জড়িত।
সামান্যতম অবকাঠামো উন্নয়ন করা কোন ব্যাপার না বলে আমি মনে করি।তবে উপজেলার সহকারী ভুমি অফিস সহ কয়েকটি তহশীল অফিস এর আমুল পরিবর্তন ঘটেছে।
এ জন্য শ্যামনগর প্রেসক্লাব ও সুন্দরবন সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম ও সহকারী কমিশনার মোঃ আহসান উল্লাহ শরিফী কে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই।পাশাপাশি দ্রুত সদর তহশীল অফিসের অবকাঠামোগত কিছু পরিবর্তন আনার জোর দাবী ও জানাই।
গত কয়েকদিন আগে নিজের কাজে গিয়েছিলাম সদর তহশীল অফিসে। সেখানে কথা হয় দ্বায়িত্বশীল তহশীলদার বাবু যতীন্দ্রনাথ সরকারের সাথে। তিনি বললেন,রাজস্ব আদায়ে আমরা অনেক এগিয়ে। রুমের মধ্যে কয়েকটি প্লাষ্টিকের চেয়ার আছে, সে গুলো না কি  কোন এক সচেতন ব্যক্তি দিয়েছেন। কিছু নতুন বাউন্ডিং বই দেখলাম, সে গুলো না কি  তহশীলদার নিজের টাকা দিয়ে মেরামত করেছেন।
এক কথায় নিজের পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে আশাপাশের একেবারই নিকটতম পরিবেশ ও সুন্দর করতে হবে।
মানুষের মুল্যবান সম্পদ রাখার স্থানটি হোক নিরাপদ।
শ্যামনগরের সচেতন মহল, সুন্দরবন সাংবাদিক ফোরাম  ও প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
##