শ্যামনগর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগটি এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ : রোগীদের ভোগান্তী


564 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
শ্যামনগর হাসপাতালের এক্স-রে  বিভাগটি  এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ : রোগীদের ভোগান্তী
এপ্রিল ৩০, ২০১৬ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

এস কে সিরাজ,শ্যামনগর
শ্যামনগর হাসপাতালের এক্স- রে বিভাগটি কোন কারন ছাড়াই বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি গুরুপ্ত সহকারে দেখার কেউ নেই। রোগীরা এসে ফিরে যাচ্ছে। দ্বায়িত্বরত  কামরুল হাসান গত এক সপ্তাহ আগে ছুটি নিয়ে  নিজ গ্রামের বাড়ীতে চলে গেছেন । তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ছুটিতে আছি।

জানাগেছে,হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগটি সম্পুর্ন অকেজো করে রাখা হয়েছে। এর পিছনে রয়েছে বহিরাগত প্যাথলজি ব্যবসায়ীরা, আর হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তাররা। হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের রাশেদুল ইসলাম রাশেদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ডাক্তাররা যদি রোগী না পাঠান তাহলে প্যাথলজি চলে ?   হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তাররা যদি রোগীদের কমিশনেরর আশায় বাহিরে না পাঠাতেন তাহলে হাসপাতালের প্যাথলজি ও এক্স- রে  বিভাগটি থাকতো সব চেয়ে জমজমাট। এখান  থেকে সরকারও পেতে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব।অন্যদিকে গরীব অসহায় রোগীরা কম পয়সায় তাদের চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়ীতে ফিরতে পারতো।

এবিষয়ে  সবচেয়ে বেশী সুনাম কুড়াতো সুন্দরবন উপকুলীয় জনপদ শ্যামনগরের হাসপাতালটি। এ সুনামের অংশ কিন্ত হাসপাতালের সকল কর্মরত ডাক্তারদের সঠিক সময়ে পৌছে যেতো।

সরেজমিনে দেখা গেছে,  এজনপদের দুরগ্রাম থেকে আসা শতশত রোগী প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্য শ্যামনগর হাসপাতালে আসেন। দেখা গেছে কোন কোন দিন ১৯০ জন রোগী আবার কোন কোন সময়ে ১৬০/১৮০ জন রোগী কে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসতে দেখা গেছে। এটা শুধু আউট ডোরের কথা বললাম। এখনও রয়েছে,জরুরী বিভাগ, ডিএসএফ, নন ডিএসএফ রোগীদের তালিকা। যেখানে প্রতিদিন শতশত রোগীদের আনাগোনা সেই হাসপাতালের প্যাথলজি ও   এক্সে বিভাগটি কি কারনে অকেজো হয়ে পড়ে আছে সেটা এখন সকলের সামনে পরিস্কার। সরকারের নীতিমালা মেনে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা যদি নিজেদের আন্তরিকতার মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেন, তাহলে এই এলাকার মানুষের হাসপাতাল ক্রেন্দ্রিক  স্বাথ্যসেবার মান দ্রুত বেড়ে যাবে। ছুটির দিন শুক্রবারটি যদি কেউ দয়া করে হাসপাতাল সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা সড়কের প্যাথলজি পাড়ায় আসেন, তাহলে দেখবেন, প্যাথলজি আর  এক্সে- রে  বিভাগ গুলো কেমন জমজমাট। অথচ এখানে পরিক্ষা নিরিক্ষার ফি বেশী আর হাসপাতালে কম। আপনারা যেনে অবাক হবেন,  যে সম্প্রতি সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন মহাদ্বয় সরেজমিন শ্যামনগর হাসপাতালে এসে প্যাথলজি বিভাগের মাসিক ইনকাম দেখে হতভম্ব হয়ে ফিরে গেছেন।এতকম যে পত্রিকায় বিষয়টি নাইবা আনলাম।

এদিকে হাসপাতালের এক্স- রে বিভাগটি বন্ধ থাকার বিষয়ে টি এইচ এ ডাঃ হাবিবুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, জরুরী কাজে       এক্স-রে এর দ্বায়িত্বে থাকা ছেলেটি ছুটিতে গেছে। তবে প্যাথলজি বিভাগ প্রতিদিন খোলা থাকার কথা। তিনি বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা বাড়াতে আমরা সব সময় তৎপর আছি।  হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে শ্যামনগরের সকল পেশার মানুষ দলমত নির্বিশেষে সহযোগীতা করতে চায়,হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে। এটি আমার আপনার সকলের প্রতিষ্টান মনে করে চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে সজাগ থাকার আহবান চিকিৎসা সেবা বন্ঞিত মানুষদের ।