সন্যাসীরচক স্কুলে দপ্তরীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা


228 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সন্যাসীরচক স্কুলে দপ্তরীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করলেন শিক্ষা কর্মকর্তা
আগস্ট ৬, ২০১৯ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

সোহরাব হোসেন সবুজ, নলতা ::

কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের সন্যাসীরচক সরকারি প্রাইমারি স্কুলের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরীর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আন্তঃক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ চলাকালে খেলা পরিচালনাকারী শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষকের প্রতি উদ্ধর্তপূর্ণ আচরণ করে শিক্ষকদের লাঞ্চিত করে দপ্তরী আল আমিন। এর প্রেক্ষিতে উগ্র দপ্তরী আল আমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয় শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ। বৃহঃবার বেলা ১১টার দিকে অভিযোগের তদন্ত করেন উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ও ওমর ফারুক। তদন্ত চলাকালে আল আমিন গাজীর বিরুদ্ধে লিখিতভাবে আরো বিভিন্ন অভিযোগ দেয় স্কুল পরিচালনা কমিটিসহ স্থানীয় অভিভাবকবৃন্দ। যাতে দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত উৎশৃংখল অবৈধ দপ্তরীর চাকরীর বরখাস্তের দাবী জানানো হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সন্যাসীরচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গত ১৫ জানুয়ারী আন্তঃ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০১৯ এর বিভিন্ন খেলাধুলা চলছিল। খেলা চলাকালে শিক্ষক শহিদুল ইসলাম খেলার সরঞ্জামাদি নিয়ে আসতে বলে আল আমিনকে। তাতে সে নিজিষপত্র বহনের কথায় ক্ষেপে যায়। এতে করে শিক্ষকের উপর ক্ষিপ্ত হয়। শিক্ষক আবারও বললে আল আমিন শিক্ষককে গালিগালাজ করে। অন্য শিক্ষকরা বাধা দিলে তাদের গালিগালাজ করে। এক পর্যায় সে বলে, আমি তোদের চাকরী করি না। সরকারের চাকরি করি। তোরা আমার এলাকায়, আমি তোদের এলাকায় না। তাই শিক্ষক হয়েও আমার কিছু করতে পারবি না। এমনকি শিক্ষক শহিদুলকে জীবন নাশের হুমকিও দেয় আলামিন গাজী। এতে করে মর্মাহত হয় স্কুলের শিক্ষক ও কমিটির নেতৃবৃন্দসহ অভিভাবকরাও। এসব বিষয় নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিবানী রাণী সরকার লিখিতভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। আল আমিনের বিরুদ্ধে রেজুলেশনও করা হয় এবং অভিযোগের সাথে জনা দেওয়া হয়। তবুও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ইতিপূর্বে। শিক্ষক লাঞ্চনার ঘটনায় সম্প্রতি এ তদন্তের বিষয় জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, আমরা সকলের কাছ থেকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগ শুনেছি এবং প্রমাণও পেয়েছি। যথাশীঘ্র শিক্ষা অফিসার বরাবর জমা দেব। এস.এম.সির সহ সভাপতি আবু তালেব জানান, অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত দপ্তরী আল আমিন অযোগ্য ও ফাঁকিবাজ। তাকে দিয়ে স্কুলের কাজ করানো অসম্ভব। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুছা করিম বলেন, দপ্তরীর এরুপ আচারণ ও অপকর্মের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। তাই এবার দপ্তরির বিরুদ্ধে অভিযোগের যথাযথ প্রতিকার চায় স্কুলের শিক্ষক, কমিটি ও অভিভাবকবৃন্দ।