সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী


133 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
মার্চ ২, ২০২১ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

সবার জন্য করোনার টিকা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটাই এখন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আবারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এ নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, টিকার পাশাপাশি সব মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য খাদ্য উৎপাদনে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখতে হবে। কৃষি উৎপাদন যাতে কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইনে সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। সভায় চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদন দেওয়া হয়।

এনইসি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনা এবং বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সরকারের সচিব মোহাম্মদ ফজলুল বারী। পরিষদের সদস্যবর্গ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি), পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সংশ্নিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বরাতে সচিব মোহাম্মদ ফজলুল বারী জানান, করোনায় সারাবিশ্বের অর্থনীতি হুমকির মধ্যে পড়েছে। এর মধ্যেও আমাদের দেশের অর্থনীতি এগিয়েছে। এ অগ্রগতি ধরে রাখতে হবে। প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে শেষ করতে আবারও তাগাদা দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে এখন শুস্ক মৌসুমে পুরোদমে নির্মাণকাজ চালিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। প্রকল্প পরিচালককে প্রকল্প এলাকায় থাকতে হবে। একই ব্যক্তি যাতে একাধিক প্রকল্পের পরিচালক নিযুক্ত না হন, সে বিষয়ে ফের সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠকে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি ব্যাখ্যা করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সদস্য সরকারের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী। চলতি অর্থবছরের গত জানুয়ারি পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়নের হার ২৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ বাস্তবায়ন অগ্রগতি অন্যান্য বছরের তুলনায় কম। বাস্তবায়নের কারণ ব্যাখ্যায় প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, করোনার প্রভাব, একই ব্যক্তির অধীনে একাধিক প্রকল্প ও জমি অধিগ্রহণে জটিলতার কারণে সময়মতো এডিপি বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে।

বৈঠকে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে নির্মাণকাজ শেষ হবে- এ রকম ৪৪২ প্রকল্প রয়েছে। বছরের বাকি চার মাসের মধ্যে এসব প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সংশ্নিষ্টদের জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এডিপির খাতও সমন্বয় করা হয়েছে এনইসিতে। এডিপির খাত ১৫টি নির্ধারণ করা হয়। আগামী অর্থবছর থেকে এ ১৫ খাতেই উন্নয়ন বরাদ্দ থাকবে। চলতি অর্থবছর পর্যন্ত এডিপির খাতের সংখ্যা আছে ১৭টি।