সমবায় আন্দোলন জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান


286 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সমবায় আন্দোলন জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
নভেম্বর ৫, ২০১৬ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক :
দেশের সমবায় আন্দোলনকে জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৪৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন এবং জাতীয় সমবায় পুরস্কার-২০১৪ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

সমবায় অধিদফতর ও স্থানীয় সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে সমবায় আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, ‘সমবায়ের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট তারা সকলেই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন বলে আশা করি। যেহেতু এটা জাতির পিতারই একটা আকাঙ্ক্ষা ছিল- তিনি বহুমুখি গ্রাম সমবায় করতে চেয়েছিলেন। ’৭৫’র ১৫ আগস্ট তাকে হত্যা করার পর সেটা আর করা হয়নি। আমরা তাই ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে বহুমুখি কর্মসূচির মাধ্যমে তারই সেই পরিকল্পনাটির বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সমবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এবং সফল হতে পারে। আপনারা সে অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন আশা করি।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন এলজিআরডি ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং এলজিআরডি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙা।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. প্রশান্ত কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন- সমবায় অধিদফতরের মহাপরিচালক মো.মফিজুল ইসলাম এবং সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি ও মিল্কভিটার চেয়ারম্যান শেখ নাদির হোসেন লিপু।

অনুষ্ঠানে ১০টি ক্যাটাগরিতে ৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় সমবায় পুরস্কার ২০১৪ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী এই পদক বিতরণ করেন।
পুরস্কার হিসেবে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের পদক এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।