‘সম্পত্তি আত্মসাতে মিথ্যা মামলা ও হত্যার ষডযন্ত্রে নেমেছে কালিগঞ্জের রাঘব বোয়ালরা’


606 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
‘সম্পত্তি আত্মসাতে মিথ্যা মামলা ও হত্যার ষডযন্ত্রে নেমেছে কালিগঞ্জের রাঘব বোয়ালরা’
মে ২৯, ২০১৬ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
কালিগঞ্জের পূর্ব নারায়নপুর গ্রামের মৃতঃ কৃষ্ণপদ ঘোষের ছেলে চঞ্চল ঘোষ (৩৮) কে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেশ ত্যাগ বা হত্যার ষড়যন্ত্রে নেমেছে সম্পত্তি আত্মসাৎকারী কালিগঞ্জের রাঘব বোয়ালরা। বাবার একমাত্র পুত্র ও হিন্দু সম্প্রদায় হওয়ায় তাকে সরিয়ে ফেলতে পারলে কালিগঞ্জ বাসটার্মিনালের আশেপাশের প্রায় ৪১ বিঘা জমি আত্মসাৎ করা যাবে। এসব উদ্দেশ্য নিয়ে ঐসব রাঘব বোয়ালরা টার্মিনালের হত্যা মামলায় তাকে ফাঁসিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন চঞ্চল ঘোষ। রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংখ্যা লঘু চঞ্চল ঘোষ নিরুপায় হয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে তিনি আরো বলেন- সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ বাস টার্মিনাল ও এর আশে পাশের প্রায় ৪১ বিঘা জমি আমার পৈতৃক সম্পত্তি। যেগুলো বর্তমানে কালিগঞ্জের বিএনপি নেতা (রাজাকার খ্যাত) রাঘব বোয়ালরা লুটে খাচ্ছে। আর এজন্যই উক্ত সম্পত্তিগুলো একেবারেই আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে বাবার একমাত্র পুত্র হিসাবে আমাকে চিরতরে হত্যার পরিকল্পনা নিয়েছে নতুবা বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করার ষড়যন্ত্র করছে উক্ত সম্পত্তি ভোগকারী মহল। ইতিমধ্যে তাদেরই ইঙ্গিতে গত ২৮ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে কালিগঞ্জ বাস টার্মিনাল দখল নিয়ে ২ গ্রুপের সংঘর্ষে বাবু নামের একজন নিহত হয়েছে। আমার সম্পত্তি ভোগকারী রাঘব বোয়ালরা আমাকে বিপাকে ফেলিয়ে দেশ ত্যাগ করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ঐ মামলায় জড়িয়ে দিয়েছে। যে মারামারি সম্পর্কে আমি জানতাম না, এবং ওখানে আমি আদৌ ছিলাম না। তাছাড়া আমি দেশ ছেড়ে না গেলে যেকোন ভাবে আমাকে হত্যা করা হবে।
একারণে তাদের হাত থেকে জীবনে বেঁচে থাকার জন্য এদেশের নাগরিক হয়েও আজও পালিয়ে পালিয়ে চলতে হচ্ছে চঞ্চল ঘোষকে।
প্রায় ৪১ বিঘা পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎকারী রাজাকারখ্যাত কালিগঞ্জের কুখ্যাত মাদকাসক্ত স.ম আলম, স্টার ফিলিং স্টেশনের মালিক আজিজ আহমেদ পুটু, সাইফুল ইসলাম, আলহাজ্জ আব্দুল বারী, আব্দুল গফুর, লেদ শহীদ, জামায়াত নেতা কামরুজ্জামান বাবলা, জিল্লুর রহমান সহ তাদের সহযোগিরা। কয়েকবার জেলের ঘানি টানা স.ম আলমের উত্থান নিত্যদিনের চুরির মাধ্যমে। ছোটবেলা থেকেই চোরাইকাজে তার হাত ছিল বেশ পরিপক্ক। তারপর বিভিন্ন জমি জায়গা দখল, মাদক আড্ডা আর নারীর ইজ্জত লোটা ছিল তার কাজ। এসব কাজে জুতো পেটা থেকে জেলের ঘানিও টেনেছে সে। এই কুখ্যাত আলম ও তার ভাই আজিজ আহমেদ পুটু সহ তাদের সহযোগিরা গায়ের জোরে আমার ২৬ বছর ধরে খাজনা দেওয়া পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে লুটে খাচেছ। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে বসা হয়েছে ও অভিযোগ দেওয়াও হয়েছে। সব জায়গাতে তারা হেরে গেলে ফিরে এসে জীবন নাশের ভয় দেখায় আর দেশ থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দেয়। যে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে চঞ্চলকে বাস টার্মিনালের হত্যা মামলায় জড়িয়েছে তারা। যাতে করে সে ভারতে চলে যায়। এমতাবস্থায় চঞ্চল ঘোষ এদেশের নাগরিক হিসাবে এদেশেই সুস্থভাবে বসবাস করার লক্ষে এসব ষড়যন্ত্রকারী রাঘব বোয়ালদের হাত থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছে বলে জানান।