সাংবাদিকদের দেখা দিলেন না ‘অসুস্থ’ শিক্ষা সচিব


392 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাংবাদিকদের দেখা দিলেন না ‘অসুস্থ’ শিক্ষা সচিব
জুলাই ৯, ২০১৫ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকম ডেস্ক :
‘অসুস্থতার’ কথা বলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান, যার ক্ষমতা খর্ব করে আগের দিন নির্দেশনা জারি করেন মন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বুধবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করে সচিবালয়ে থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রীর দপ্তরে আসেন সচিব। মন্ত্রীকে না পেয়ে নিজের কক্ষে যাওয়ার সময় সাংবাদিকরা কথা বলতে চান নজরুল ইসলামের সঙ্গে।
‘কাজে ব্যস্ত’ বলেই দ্রুত নিজের দপ্তরে চলে যান শিক্ষা সচিব। এ সময় তাকে খানিকটা বিমর্ষ দেখাচ্ছিল।
পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ডজনখানেক প্রতিবেদক সচিবের সাক্ষাৎ চেয়ে তার কক্ষে ভিজিটং কার্ড পাঠান।
সচিবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম মিলন কার্ডগুলো ফেরত দিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “স্যার বিনীতভাবে বলেছেন তার শরীর ভাল না। তিনি সাক্ষাৎ দিতে পারছেন না।”
সকালে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে যে সভা ছিল সেখানেও দেখা যায়নি শিক্ষা সচিবকে।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবিত অষ্টম বেতন কাঠানো নিয়ে উপাচার্যরা তাদের ক্ষোভের বিষয়গুলো জানাতেই মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
“ওই বৈঠকে সরকারের আমলাদের নিয়েও উপাচার্যরা ক্ষোভ জানাতে পারেন এমনটা ধরে নিয়েই সচিবকে সভায় রাখা হয়নি,” বলেন একজন।
একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে জটিলতার পর শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খানের কর্তৃত্ব খর্ব করে মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেন শিক্ষমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রীর ওই নির্দেশনা জারিতে সচিব কার্যত ক্ষমতাহীন হয়ে পড়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করে তার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা জারি করেন সচিব। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভর্তির প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করায় গোটা প্রক্রিয়া অচল হয়ে পড়লে ওই ঘটনা সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়।
শিক্ষামন্ত্রীর স্বাক্ষরসহ মন্ত্রণালয়ে জারি করা নির্দেশনার এক জায়গায় বলা হয়েছে, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার সার্বিক বিষয়ে কথা হয়েছে, তিনিই ডেকে বলে দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের সকল সিদ্ধান্ত মন্ত্রী চূড়ান্ত করবেন। আমাকে না জানিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না।”