সাংবাদিক বাবুর পিতা মোকছেদ আলি মেম্বরের দাফন সম্মন্ন


354 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাংবাদিক বাবুর পিতা মোকছেদ আলি মেম্বরের দাফন সম্মন্ন
সেপ্টেম্বর ১, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
দৈনিক দৃষ্টিপাতের ধুলিহর প্রতিনিধি ও বিডিএফ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন বাবুর পিতা এবং ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মোকছেদ আলি বিশ্বাস আর নেই।
তিনি সোমব্রা দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্ন লিল্লাহে—রাজেউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুর পূর্বে তিনি চার পুত্র, ছয় কন্যা ও দুই স্ত্রী সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন  ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর মরহুমের জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

জানাযা নামাজে বিপুল সংখ্যক জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি  সহ বিভিন্ন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৬ জুলাই সাতক্ষীরা সদরের বাঁশদহা ইউনিয়নের কেড়াগাছি এলাকায় মটর সাইকেল ও ইঞ্জিন ভ্যানের সংঘর্ষে এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন। প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার ডান পা কেটে ফেলা হয় এবং কয়েকদিন সূস্থ থাকার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও সর্বশেষ উত্তরা হাইকেয়ার জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের আইসিসিইউ তে ভর্তি রাখা হয়।

৪৭ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে তিনি দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেন।  তাঁর এই মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি প্রদান করেছেন বিডিএফ প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিক মাষ্টার আছাদুল ইসলাম, রেজাউল করিম মিঠু, আরশাদ আলি, আজিজুল ইসলাম, আবু সাঈদ, শরিফুল ইসলাম রানা, আব্দুল হাকিম, জাহারুল ইসলাম, জাকির হোসেন আফিল, এম. ইমন ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, ইয়াছিন আলি, আছাদুল ইসলাম, ইস্রাফিল হোসেন লাভলু।

এছাড়া শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফুজ্জামান খোকন, ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা, আনিছুর রহমান, মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ মুনসুর আলি, ভবসিন্ধু মন্ডল, মোঃ লিয়াকত হোসেন, ফারুক হোসেন মিঠু, শামীম রেজা চৌধূরী, ইউপি সদস্যা রিজিয়া বেগম, লিলিমা বেগম, নার্গিস পারভীন, ইউপি সচিব অরবিন্দ কুমার সরকার ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মোঃ আতাউর রহমান রিঙ্কু।