সাজাপ্রাপ্তদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


358 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাজাপ্রাপ্তদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অক্টোবর ১০, ২০১৮ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

অনলাইন ডেস্ক ::

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের মধ্য দিয়ে জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। বিচারকরা সঠিক বিচারটি করতে সক্ষম হয়েছেন। বিদেশে পালিয়ে থাকা সাজাপ্রাপ্তদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেউ অপকর্ম করে পার পাবেন না। শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে। ২১ আগস্টে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা মামালার রায়ের মাধ্যমে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। জাতি আরও একটি কালিমা যেটা লেপন হয়েছিল, সেটি দূর হয়েছে। যোগ্য বিচার পাওয়া গেছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।। যারা এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করবে তাদের বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। বিচারের রায়ে যথাযথ ভাবে বিজ্ঞ আইনজীবীরা তুলে ধরেছেন এবং বিচারকরা সঠিক ভাবে রায় দিয়েছেন। এ বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবে যে এদশে বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, সেই সময়ের পুলিশের দায়িত্বে ছিলেন এবং বিভিন্ন সংস্থায় ছিলেন তাদের নামও বিচারের তালিকায় এসেছে। কেউ তাদের দায়িত্ব অবহেলা করতে পারবে না। এ ধরনের নৃশঙসতায় যারা প্রোগ্রাম নিয়েছিলেন, যারা আম্রয়-প্রশয় দিয়েছেন, যারা অর্থ যোগান দিয়েছেন তাদেরও ফাঁসি কিংবা যাবজ্জীবনের দণ্ড হয়েছে। এটাই যথার্থ হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে যারা বিদেশে পালিয়ে আছেন, তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। রায় তাড়াতাড়ি কার্যকর হবে বলেও তিনি বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশে সেদিন যে ঘটনা ঘটানো হয়েছিল সেদৃশ্য সেইদিনে সেখানে কর্মরত গণমাধ্যমের ভাইয়েরা দেখেছেন। সেদিন তারা ভয়াবহ দৃশ্য ক্যামেরান্দি করেছিলেন। সেই সুবাদে জাতি সেদিন জানতে পেরেছিলেন, সেখানে কত ভয়াবহ, হৃদয়বিদারক ও নিষ্ঠুরতা ঘটনা ঘটেছিল।

তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাও যথার্থ হয়েছে বলে মনে করেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হাওয়া ভবনে মিটিংটা হয়েছে এটা সঠিক। তদন্তকারী সংস্থা ও আইনজীবীরা তাদের প্রতিবেদনে যাথার্থভাবে তুলে ধরেছেন। বিচারক যে রায় দিয়েছেন, সেখানে তার বলার কিছু নেই। উনি যথার্থভাবে বিবেচনা করে দিয়েছেন

তিনি বলেন, ‘আমাদের রাষ্ট্র্রপক্ষ যদি মনে করেন রায় যথার্থ হয়নি এখানে আপিলেরও ব্যাপার আছে, সেখানে যেতে পারেন, আমি সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করছি না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর তছনছ করে তাদের আসামি বানানোর প্রচেষ্টা হয়েছিল। সত্য ঘটনা আড়াল করার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করা হয়েছিল। মামলাটি পর্যন্ত নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, তখন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জলিল ভাই মামলা করতে গেলেও থানায় মামলা নেওয়া হয়নি। এমনকি জাতীয় সংসদেও এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। এতেই প্রমাণ করে যে, এ ঘটনায় যারা শাস্তির আওতায় আসছেন, সকলেই জড়িত ছিলেন।