সাতক্ষীরার আখড়াখোলা-নারিকেলতলা সড়ক খানা-খন্দে ভরা । চরম দুর্ভোগ


547 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার আখড়াখোলা-নারিকেলতলা সড়ক খানা-খন্দে ভরা । চরম দুর্ভোগ
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল হক :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আখড়াখোলা-নারিকেলতলা সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে বিভিন্ন যাববাহন। সড়কটি দীর্ঘ দিনেও সংস্কার না হওয়ায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের পিচের নিচের মাটি উঠতে শুরু করেছে। যাত্রীবহনে ইঞ্জিন চালিত ভ্যান চলাচলের সময় প্রায় দুর্ঘটনায় কবলিত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, বার বার জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগকে জানানোর পরেও সড়ক সংস্কার না হওয়ায় সড়কের এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আখড়াখোলা-নারিকেলতলা সড়কে ৮/৯ বছর আগে পিচ দেওয়া হয়। সেখান থেকে সড়ক ভালো থাকলেও গত ২/৩ বছর সড়কের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। গত বছর থেকে সড়কের বিভিন্ন অংশে বেশি ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়। সড়কের বিভিন্ন অংশে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের নারিকেলতলা থেকে থানাঘাটার মোড় পর্যন্ত খুবই নাজুক। সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গেছে। পৌরসভার নিয়ন্ত্রাধীন সড়কের এ অংশটি গত ২/৩ বছর ভাঙ্গা থাকলেও স্থানীয় কমিশনার মাসুম বিল্লাহ শাহীনের নজরে আসেননি বলে পথচারী রবিউল ইসলাম। তিনি আরো বলেন, কমিশনার থাকলেও যেন কোন কাজে আসছে না এ অঞ্চলের মানুষের।

অন্যদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের আওতাধীন থানাঘাটার মোড় থেকে আখড়াখোলা সড়কের বিভিন্ন অংশে খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মুথরাপুর মোড় থেকে উত্তর দেবনগর বিল পর্যন্ত সড়ক খানা-খন্দে ভরা। দেবনগর চারা বটতলা এলাকায় এতোটাই গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যে পিচের নিচের মাটি উঠে গেছে। একই রকম গর্ত আরো কয়েক যায়গায়। আখড়াখোলা বাজারের সন্নিকটে এক স্থানে কালভার্টের কিছু অংশ ধ্বসে পড়েছে। সেখানে গাছের ডাল পুতে দেওয়া হয়েছে।

পথচারী আরিফুর রহমান জানান, এ সড়কটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারের অভাবে পড়ে আছে। সড়কটি ঝাউডাঙ্গা, বল্লী, লাবসা ইউনিয়নের অন্তত অর্ধ লক্ষ মানুষ ব্যবহার করে। সড়ক দিয়ে গণমানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হলো ইঞ্চিন চালিত ভ্যান। ভ্যানগুলো প্রতিদিন অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

স্থানীয় আরো জানায়, সড়র সংস্কারের বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্¦ মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি কে জানিয়েও কোন ফল আজ পর্যন্ত হয়নি। তারা শুধু আশ্বাসই দিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন কাকে অবহিত করলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত রাস্তাটি সংস্কার হবে ?