সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ঘূর্নিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


114 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ঘূর্নিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
মে ১৬, ২০১৯ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এস কে হাসান ::

মঙ্গলবার বিকালে আশাশুনি উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল গতির ঘূর্নিঝড়, বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের ঘটনায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট, গাছগাছালী বিধ্বস্থ হয়েছে। এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। বজ্রপাতে একজন স্কুল ছাত্রী ও একটি গরু মারা গেছে।
মঙ্গলবার বিকালে অকস্মাৎ প্রচন্ড ঘূর্ণিবার্তা, সাথে বজ্রপাত ও মূষলধারার বৃষ্টিতে উপজেলার বুধহাটা, কুল্যা, কাদাকাটিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নকে লন্ডভন্ড করে দেয়। ঘূর্নিঝড়ে বুধহাটা-চাপড়া বিদ্যুৎ লাইনের ৩৩ কেভি, ১১ হাজার ও ৪৪০ ভোল্টেজ ক্ষমতা সম্পন্ন লাইনের পোলসহ বিভিন্ন স্থানের ৭৪টি পোল উপড়ে পড়ে। যার মধ্যে ৩৩ কেভি ৩০টি ও অন্য লাইনের ৩১টি মোট ৬১টি উপড়ে গেছে। বাকী ১৩টি পোল ভেঙ্গে গেছে। ট্রান্সফরমা ৪টি ও মিটার ৯৮টি নষ্ট হয়ে গেছে। ভোর থেকে দেড় শতাধিক শ্রমিক ও কর্মকর্তা লাইন পুনস্থাপন ও সংযোগ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে বলে জানাগেছে। পল্লী বিদ্যুতের আশাশুনি সাব জোনাল অফিসের এজিএম জানান, সকল ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আজগের মধ্যে অধিকাংশ কাজ শেষ করা সম্ভব হতে পারে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
ঝড়ের তান্ডবে উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে ৯৬টি গৃহ সম্পূর্ণ বিধ্বস্থ ও ১৬৫টি গৃহ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার সকল ইউনিয়নের সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া না গেলেও আড়াই শাতাধিক গৃহ, দোকান পাট বিধ্বস্থ বা চাল উড়ে গেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। হাজার হাজার গাছ ভেঙ্গে ও উপড়ে গেছে। বজ্রপাতে বুধহাটা ইউনিয়নের শে^তপুর গ্রামে আছমা খাতুন নামে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রী এবং কুল্যা ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে কালাম সরদারের একটি গরু মারা গেছে। কচুয়া গ্রামে মাওঃ আহছান উল্লাহর বাড়িতে বজ্রপাত ঘটলে কেউ হতাহত না হলেও ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে পড়েন বাড়ির লোকজন। টনকে টন আম ঝরে পড়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান জানান, এখনো ইউপি চেয়ারম্যান সাহেবদের কাছ থেকে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।