আশাশুনির খাজরা থেকে সন্দেভাজন পাঁচ জঙ্গি আটক


1211 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
আশাশুনির খাজরা থেকে সন্দেভাজন পাঁচ জঙ্গি আটক
আগস্ট ৫, ২০১৬ আশাশুনি ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

আসাদুজ্জামান :
সাতক্ষীরার  আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের  একটি মাদ্রাসা থেকে  পাঁচ  যুবককে জঙ্গি সন্দেহে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে দিয়েছে। তাদেরকে জঙ্গি সন্দেহে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আটককৃতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার  দামুড়হুদা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মেহেদি হাসান ইমরান( ২৩), খুলনা জেলার লবনচরার হাসনাবাদ গ্রামের  আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম(২৭), মেহেরপুর জেলার শিবচরের আলোপুরের আবদুল খালেক মোল্লার  ছেলে মোশাররফ হোসেন (২০), শরিয়তপুর জেলার জাজিরার চরদুপুর গ্রামের আহমেদ  নাজিরের ছেলে নাজিম হোসেন (২৩ ) ও  শরিয়তপুর জেলার একই গ্রামের কুদ্দুস মাঝির ছেলে ্ইয়ামিন হোসেন ( ১২) । তারা এখানে আত্মগোপনে থেকে জঙ্গি বিষয়ক তৎপরতা চালাচ্ছিল বলে বলে স্থানীয় ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম জানিয়েছেন।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) গোলাম রহমান জানান, আটককৃতরা ২০ দিন আগে থেকে খাজরা ইউনিয়নের ফটিকখালি হাফিজিয়া মাদ্রাসার হেফজোখানায়  অবস্থান নেয়। সেখানে তারা ধর্মীয় আলোচনা করতো। আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় তাদেরকে স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে সন্দেহ ভাজন জঙ্গি হিসেবে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তিনি আরো জানান, তারা জঙ্গি কিনা তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানা যাবে।

খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম জানান, ফটিকখালি হাফিজিয়া মাদ্রাসাটি অনেকটা দুর্গম এলাকায়। একই উপজেলার খালিয়া গ্রামের আনিসুর রহমান মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন। ওই যুবকদের আটক করার সাথে সাথে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তিনি জানান, আনিসুর রহমানের স্ত্রী মহিলাদের সংগঠিত করতে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ান বলে খবর রয়েছে। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী  আনিসুরের  খোঁজে ওই বাড়ির দিকে দলবদ্ধ হয়ে রওনা দিয়েছেন বলে তিনি আরো জানান ।

চেয়ারম্যান জানান, তাদের সাথে ১২ বছর বয়সের যে শিশুটি আছে সে ওই যুবকদের  জন্য বিভিন্ন বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসতো। তার বরাত দিয়ে তিনি জানান, ওই যুবকরা রাতভর জেহাদী কথাবার্তা বলতো। যুবকদের বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান  আরও জানান, তারা সেখানে হেফজো শিখতে এসেছে বলে জানিয়েছে। এর আগে তাদের প্রধান  রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন বলে দাবি করেছেন। এই ইটাগাছা মাদ্রাসায় ২০০৫ সালে জঙ্গিদের প্রশিক্ষন হতো বলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার ( এএসপি) মো. সালাহউদ্দিন জানান তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।  তারা জঙ্গি কিনা তা এখনও জানা যয়নি।##