সাতক্ষীরার ইয়াস দূর্গত এলাকায় কবর দেওয়ার জায়গা নেই !


152 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার ইয়াস দূর্গত এলাকায় কবর দেওয়ার জায়গা নেই !
জুন ১৮, ২০২১ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

প্রতাপনগরে কবরের জন্য শুকনা জায়গা নেই

ইট বিছিয়ে দাফন

ডেস্ক রিপোর্ট ::

কবর দেওয়ার মতো উঁচু জায়গা নেই আশাশুনির প্রতাপনগরে। মৃত মানুষের দাফন করতে হচ্ছে বিকল্পভাবে। আম্পানের পর ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছাসে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছেন হাজারো মানুষ। আর এই এলাকার মানুষের দূর্দশার শেষ নেই। খাওয়া দাওয়া তো দুরের কথা, মরা মানুষের শেষ বিদায় দেওয়ার মতো পরিবেশ নেই এলাকায়। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) প্রতাবনগরে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’জনের মৃত্যু হয়। এই দু’জনের মধ্যে একজনকে অভিনভ পন্থায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

প্রতাপনগর ইউনিয়ন মোটরসাইকেল চালক পরিচালনা উন্নয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম গাজীর পুত্র মাহমুদুল হাসান (৩৪) বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে পাঁচটায় তার কর্মস্থল কলারোয়ার বাসায় স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যু হয়। তার মরদেহ আনা হয় প্রতাপনগরে। কিন্তু প্রতাপনগরসহ আশে পাশের এলাকা পানির নিচে ডুবে আছে। আছর নামাজের পর আল আমিন মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাসুম বিল্লাহ গাজীর বাড়ির সামনের রাস্তায় জানাজা নামাজ শেষে বিকল্পভাবে পারিবারিক কবরস্থানে কবর না খুঁড়ে দাফন করা হয়। জোয়ারের পানি কমে গেলে ইট বিছিয়ে তার উপরে পলিথিন দিয়ে থরে থরে ইট সাজিয়ে মাটির পরিবর্তে কংক্রিটের কবর সম্পন্ন করা হয়েছে।

এদিকে প্রতাপনগর গ্রামের ডা: আক্তার হোসেনের পিতা আরশাদ আলী সানা (৭৮) বৃহস্পতিবার বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজস্ব বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। শুক্রবার (১৮ জুন) জানাজা নামাজ শেষে বিকল্পভাবে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলা চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম জানান, প্রতাপনগরের পরিস্থিতি বর্তমানে খুবই দু:খজনক। মরা মানুষের শেষ বিদায় দেওয়ার মতো পরিবেশ এখানে নেই।এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমারা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নিকট এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা জানিয়েছি।খুব শীগ্রই ইনশাআল্লাহ স্থায়ী বেঁড়িবাধের ব্যবস্থা হবে।