সাতক্ষীরার এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ


506 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ  আখতারুজ্জামানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ
অক্টোবর ২৮, ২০১৫ ফটো গ্যালারি শিক্ষা সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরার এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মো: আখতারুজ্জামানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নীরিক্ষা অধিদপ্তর। সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান কলেজ পরিদর্শন ও নীরিক্ষা করার লক্ষ্যে গত ১৪মে, ২০১৫ইং তারিখে সকাল ১০ঘটিকায় সরেজমিনে কলেজে আসেন শিক্ষা পরিদর্শক মো: গোলাম ফিরোজ ও সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো: সাজ্জাদ আলী। কর্মকর্তাদ্বয় মাত্র ৮জন শিক্ষককে কলেজে উপস্থিত পান। অধ্যক্ষ মো: আখতারুজ্জামানকে কলেজে উপস্থিত পাননি। কোন শিক্ষার্থীকেও কলেজে উপস্থিত পাননি। কলেজে উপস্থিত সহকারী অধ্যাপক সর্দার রমেশ চন্দ্র লিখিতভাবে পরিদর্শন টিমকে জানান যে, “অধ্যক্ষ মো: আখতারুজ্জামান ১টি পত্র মারফত ৪বছরের ছুটি গ্রহন করেন। প্রতিষ্ঠানের সকল রেকর্ড ও শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যক্তিগত তথ্য ও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বিধায় আমাদের পক্ষে এ মুহুর্তে পরিদর্শন ও নীরিক্ষা করানো সম্ভব হচ্ছে না। অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষক নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করেন।” কলেজে অধ্যক্ষকে উপস্থিত না পাওয়ায়, কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ না থাকায় এবং উপস্থিত শিক্ষকগণ কোন রেকর্ড উপস্থাপন করতে না পারায় পরিদর্শন ও নীরিক্ষা কাজ করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ২৮শে ফেব্রুয়ারী, ২০১৫ইং তারিখে পরিদর্শন ও নীরিক্ষা অধিদপ্তর হতে উক্ত কলেজ পরিদর্শন ও নীরিক্ষার জন্য আসলে অধ্যক্ষ না থাকায় এবং কোন শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব না দেওয়ায় কলেজের শিক্ষকগণ পরে পরিদর্শন ও নীরিক্ষার জন্য লিখিতভাবে আবেদন করেন। সাধারনত: কোন প্রতিষ্ঠান প্রধান দীর্ঘদিন ছুটিতে থাকলে সিনিয়র কোন শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্বে থাকেন এবং সকল রেকর্ডপত্র ভারপ্রাপ্ত প্রধানের নিকট সংরক্ষিত থাকে। অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মো: আখতারুজ্জামান ৪বছরের ছুটিতে আছেন অথচ তিনি নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন। এমতাবস্থায়, পরিদর্শন টিম কলেজের অধ্যক্ষ মো: আখতারুজ্জামানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ করেন এবং সকাল ১১ঘটিকা পর্যন্ত সুশান্ত কুমার মন্ডল, মো: শাহজাহান কবীর, শফিকুল ইসলাম, সরদার রমেশ চন্দ্র, কমলেশ চন্দ্র মন্ডল, শামীম উল আলম, সঞ্জয় কুমার দাস ও সমর পাল ছাড়া অন্য কোন শিক্ষক উপস্থিত না থাকায় অনুপস্থিত শিক্ষকগণের বিরূদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কলেজের সভাপতি মহোদয়কে পত্র মারফত অনুরোধ করেন। সেমতে পরিদর্শন ও নীরিক্ষা অধিদপ্তর এর পরিচালক প্রফেসর মো: মফিজউদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ৩০সেপ্টেম্বর, ২০১৫ইং তারিখে ডিআইএ/সাতক্ষীরা/১৫১০-সি/খুলনা/২০০৩স্মারকে পত্র প্রেরন করেছেন।