সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার রায় কাল


328 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার রায় কাল
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২১ জাতীয় ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

বিশেষ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালিন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলার রায় ৪ ফেব্রুয়ারি। সাতক্ষীরার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হবে। আলোচিত এই মামলার রায়কে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালিন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলা হয়। গত ২৭ জানুয়ারী সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার মামলার বাদি ও আসামী পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। ওই দিন এই মামলার প্রধান আসামী সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৩৪ জনের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয় আদালত। এ মামলায় অভিযুক্ত ৫০ জন আসামীর একজন টাইগার খোকন অন্য মামলায় জেলহাজতে আটক রয়েছে। পলাতক রয়েছে সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কাদের বাচ্চুসহ ১৫ জন।

গত ২৭ জানুয়ারী সাতক্ষীরার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবির রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন। এই পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রতিক্ষার পালা শুরু হয়। দলীয় নেতাকর্মীরা আলোচিত এই মামলার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি কামনা করেছেন।

সতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: নজরুল ইসলাম বলেন, ২০০২ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর যে বর্বরচিত হামলা হয়েছিল তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আমরা প্রত্যাশা করছি। সাতক্ষীরা তথা দেশের মানুষ এই রায় শুনার জন্য অপেক্ষা করছে। সাতক্ষীরা জজ আদালতের পিপি এড. আব্দুল লতিফ বলেন, আলোচিত এই মামলায় যেসব স্বাক্ষি প্রমানাদি আমরা আদালতের কাছে উপস্থাপন করেছি তাতে আমার বিশ্বাস আসামীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরায় একজন মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখে মাগুরায় ফিরে যাচ্ছিলেন তৎকালিন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলারোয়ায় পৌঁছালে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনি প্রাণে রক্ষা পেলেও তার সফরসঙ্গী জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ফাতেমা জামান সাথী, আব্দুল মতিন, জোবায়দুল হক রাসেল এবং শহীদুল হক জীবনসহ অনেকেই আহত হন। একইসময় সাতক্ষীরার বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মোসলেমউদ্দিন ২৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। এ মামলা থানায় রেকর্ড না হওয়ায় তিনি নালিশী আদালত সাতক্ষীরায় মামলাটি করেন। পরবর্তীতে এ মামলা খারিজ হয়ে গেলে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ফের মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। এসময় তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দেন।

#