সাতক্ষীরার চারটি আসনে জামানত হারালেন ১৭ প্রার্থী


318 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার চারটি আসনে জামানত হারালেন ১৭ প্রার্থী
জানুয়ারি ১, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

কে এম আনিছুর রহমান ::

সাতক্ষীরার চারটি আসনে ২২ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারাচ্ছেন ১৭ জন। এ সব প্রার্থীরা প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের কম ভোট পাওয়ায় তারা জামানত হারাবেন বলে জানান সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন অফিসার নাজমুল কবীর।

তিনি আরো জানান, প্রত্যেক আসনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাতিল হবে। এতে দেখা যায় সাতক্ষীরার চানটি আসনে ২২ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৭ জন প্রার্থী তাদের জামানত রক্ষা করতে পারবেন না।

 

নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, সাতক্ষীরা-১ আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৮১০। জামানত রক্ষা করতে হলে কমপক্ষে এখানে ৪৪ হাজার ৩৫২ ভোট পেতে হবে। কিন্তু এ পরিমাণ ভোট না পাওয়ায় এ আসনে জামানত হারাবেন বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জাতীয় পাটির সৈয়দ দিদার বখত, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের এফএম আসাদুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. আজিজুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পাটি-এনপিপি’র মো. আব্দুর রশিদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সরদার মুজিব।

সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন। এ আসনে জামানত ধরে রাখতে প্রয়োজন ২৩ হাজার ৫২২ ভোট। ফলে কাক্ষিত ভোট না পাওয়ায় এ আসনে জামানত হারাবেন জাতীয় পার্টির শেখ মতলুব হোসেন লিয়ন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মুফতী রবীউল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের নিত্যানন্দ সরকার এবং ন্যাশনাল পিপলস পাটি-এনপিপি’র মো. জুলফিকার রহমান।

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-দেবহাটা-কালিগঞ্জ আংশিক) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ১১৮ জন। এ আসনে জামানত রক্ষার জন্য দরকার ৪১ হাজার ৬৪০ ভোট। বিধি অনুযায়ি কাক্ষিত ভোট না পাওয়ায় জামানত হারাবেন বিএনপির ডা. শহীদুল আলম এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. ইসহাক আলী সরদার।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালিগঞ্জ আংশিক) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯৯২। এ আসনে জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ৩৫ হাজার ৭৪৯ ভোট। ফলে কাক্ষিত সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বিএনপির গাজী নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. আব্দুস সাত্তার মোড়ল, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মো. আব্দুল করিম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের এইচএম গোলাম রেজা এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল-পিডিপি’র মো. রবিউল ইসলাম জোয়াদ্দার।