সাতক্ষীরার জিফুলবাড়ি মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে অর্থ-বানিজ্য, মহিলা পদের বিপরীতে পুরুষ নিয়োগ দেয়া চেষ্টা !


354 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার জিফুলবাড়ি মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে অর্থ-বানিজ্য, মহিলা পদের বিপরীতে পুরুষ নিয়োগ দেয়া চেষ্টা !
আগস্ট ২৮, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর জিফুলবাড়ি দরগাহ শরীফ আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির  অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারসহ কয়েকটি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীরা।

জানাযায়, গত ১৩ জুলাই প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জিফুলবাড়ি দরগাহ শরীফ আলীম মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) শূন্যপদে নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আবেদন করেন জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রার্থীরা। গত ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই ও মৌখিক পরীক্ষার দিন ধার্য্য করেন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ। পরীক্ষার কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ।

কিন্তু ওই দিন পরীক্ষার্থীরা কলেজে যেয়ে কলেজের নোটিশ বোর্ডে অনিবার্য কারণবশত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে মর্মে নোটিশ ঝুলানো দেখতে পান। পরবর্তীতে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানান। কিন্তু পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ না জানিয়ে সাতক্ষীরার স্থানীয় একটি পত্রিকায় ৩য় বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এর আগে ৩১ এপ্রিল ও ১৩ জুলাই পর পর ১ম ও  ২য় বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল পুরুষ প্রার্থীদের আবেদনের প্রয়োজন নেই।

সূত্রে প্রকাশ, ১ম ও ২য় বিজ্ঞপ্তিতে ৮ ও ৯ জন মহিলা প্রার্থী আবেদন করেছেন এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের পরিপত্র মোতাবেক শহরাঞ্চলের বাহিরে ৩০% মহিলা কোটা বাধ্যতামূলক। তাছাড়া ওই মাদ্রাসায় মহিলা শিক্ষিকার কোটা পুরন নেই। সুতরাং ওই পদটি মহিলাদের জন্য বরাদ্ধ।

কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ফুসলিয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মহিলা পদের বিপরীতে পুরুষ প্রার্থী নিয়োগের পায়তারা চালাচ্ছে।

এব্যাপারে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসলাম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ঠিক। কিন্তু ওই দিন কোন প্রার্থীকে কলেজে আসতে দেখা যায়নি। যেকারণে আমরা ৩য় বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করি। আমার আমাদের মাদ্রসায় নিয়োগ হবে ২টি। সহকারী মৌলবী পদে ও সহকারী শিক্ষক সমাজ বিজ্ঞান পদে। যে কারণে কর্তৃপক্ষ ২টি নিয়োগ পরীক্ষা এক সাথে  নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।