সাতক্ষীরার তালায় হাতে-কলমে বাগদা চিংড়ি চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিলেন ৫০ জন চাষী


447 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার তালায় হাতে-কলমে বাগদা চিংড়ি চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিলেন ৫০ জন চাষী
ডিসেম্বর ১১, ২০১৫ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

এম. শাহীন গোলদার :
উন্নত সম্প্রসারিত জৈবিক বদ্ধ পদ্ধতি, ভাইরাস নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন এবং উৎপাদিত চিংড়ির মান সুরক্ষিত রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিলেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৫০ জন চিংড়ি চাষী।

তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামে দু’দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার দুপুরে প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী দিনে চাষীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের ইকোনোমিক গ্রোথ প্রোগ্রাম (বিইজিপি) প্রকল্পের অর্থায়নে গুড এ্যাকোয়াকালচার প্র্যাকটিস অনুসরণে বাগদা চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা (জিএপি-এসএফ) শীর্ষক দু’দিন ব্যাপী তত্ত্বীয় এবং ব্যবহারিক বিষয়ের এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজক ছিল ফিস ফার্ম ওনার্স এ্যসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফোয়াব)।

বৃহস্পতিবার তালা উপজেলার হরিহরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী দিনে সভাপতিত্ব করেন ফোয়াবের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্ল্যা সামছুর রহমান শাহীন।

কর্মশালার দ্বিতীয় এবং সমাপনী দিনে চাষীদের প্রশিক্ষন প্রদান শেষে সনদপত্র তুলে দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.মো.আব্বাস আলী, আব্দুল মালেক, মৎস্য অধিদপ্তরের (মাননিয়ন্ত্রণ-ল্যাব) খুলনার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, ফোয়াবের সাতক্ষীরা আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক কৃষিবিদ মুরশীদা পারভীন পাঁপড়ি,তালা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো.হাদিউজ্জামান,প্রোগ্রাম সহকারী পলাশ কুমার ঘোষসহ উপকারভোগী চিংড়ি চাষীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তরা বলেন, উন্নত সম্প্রসারিত জৈবিক বদ্ধ পদ্ধতি এবং ভাইরাস নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নিরাপদ চিংড়ি উৎপাদন করতে হবে। তিনি কৃষি খাত থেকে জিডিপিতে অবদান রাখতে উৎপাদিত চিংড়ির মান সুরক্ষিত রাখতে তিনি চাষীদের প্রতি আহবান জানান।

কর্মশালায় চিংড়ি চাষের জন্য নির্ধারিত জমির পানি ও মাটির গুনগত মান এবং তাপমাত্রা পরীক্ষা, মাছের খাবার, চাষ পদ্ধতি, ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিকারের উপায়সহ উৎপাদিত চিংড়ির মান সুরক্ষিত রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এছাড়া চাষীদের মাছ ধরার পদ্ধতিও দেখানো হয়। দু’ দিনের কর্মশালায় ৪৫ জন মৎস্য চাষীসহ ৫০ জন অংশ গ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে খামারিদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।