সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় নিরোধ দাশের জমি দখলের পায়তারা


156 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় নিরোধ দাশের জমি দখলের পায়তারা
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০ তালা ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় পুলিশের এএসআই কাশেম খাঁ’র বিরুদ্ধে জমি জবর দখলসহ জীবননাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন নরেন্দ্র নাথ দাশ (নিরোধ দাশ) ।
গত রোববার ভূক্তভোগী নরেন্দ্র নাথ দাশ (নিরোধ দাশ) এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন , সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার বড়বিলা গ্রামে বড়বিলা মৌজায় ১৮৩৫/৩৬ দাগে ১১৮ শতক পৈত্রিক জমিতে মৃত খগেন্দ্রনাথ দাশের পুত্র নিরোধ দাশসহ অন্য দু’ভাই শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছেন। এমতাবস্থায় এলাকার বছির খাঁর পুত্র ও পুলিশের এসবি শাখায় কর্মরত কাশেম খাঁর উক্ত সম্পত্তিতে কুনজর পড়লে বাঁধে বিপত্তি। সংখ্যালঘু হওয়ায় বিভিন্ন সময় অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হন তারা। বিচারের আশায় থানার দু’য়ারে গেলেও ঠাঁই মেলেনি পরিবারটির। প্রতিবারই পুলিশের এসবি শাখার টেলিফোনেই বিচারের আশা থমকে দাঁড়ায়। এতেকরে পেশীশক্তির কাছে পিষ্ট হতে হয় সংখ্যালঘু নিরোদ ও তার অসহায় পরিবারের। পুলিশ কর্তার পরিবার নিজেদেরকে অধিকতর শক্তিশালী জাহির করতে থাকে। এমতাবস্থায়, গত রোববার সর্বশেষ সংখ্যালঘু পরিবারটি আশ্রয় নেয় সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের কাছে। তিনি এবিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
নিরোধ দাশ বলেন, এ এস আই কাশেম খাঁর পিতা বছির খাঁ, ভাই আকবার খাঁ ও আকবার পুত্র ফিরোজ খাঁসহ স্বদলবলে তাদের বসত বাড়িতে ঢুকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সীমানা উচ্ছেদ, ফলজ বনজসহ একাধিক গাছপালা কেটে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এ সময় বাঁধা দিতে গেলে তাকে বেধড়ক মারপিট করে। শুধু তাই নয়, কোথাও কোন অভিযোগ করলে রেহায় পাবি না মর্মে হুমকি দেয় তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানান, ঘটনার পর পাটকেলঘাটা থানায় এক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নিরোধ দাশ কিন্তু এ বিষয় কোন ব্যবস্থা নেয়নি থানা প্রশাসন।
এ বিষয়ে পাটকেল ঘাটা থানার ওসি কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে আমি তদন্তের জন্য আমার এক অফিসারকে পাঠায়। সে সরেজমিনে গিয়ে কিছু লেবু গাছ কাটা দেখতে পায়। তবে কে বা করা কেটেছে সেটা নিশ্চিত হওয়া যায় নি।
সরুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন, ‘ইতোপূর্বে নিরোদ দাশের অভিযোগ পেয়ে ওই এলাকার মেম্বর ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয়ের মধ্যকার জমির আইল সীমানা সার্ভেয়ার দ্বারা নির্ধারণসহ বিষয়টি শান্তিপূর্নভাবে নিস্পত্তি করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি আবারো কাশেম খাঁ গং পূর্বের মতো বেআইনী কাজ করছে বলে জানতে পেরেছি।’
এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ এসবি শাখার এ এস আই কাশেম খাঁ এ প্রতিনিধিকে জানান, ‘আমি ক্রয়সুত্রে জমির মালিক। তাদের অভিযোগগুলো সঠিক নয়’।