সাতক্ষীরার ফিংড়ীতে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা ও অন্যান্য ফল বাজারে বিক্রি !


192 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার ফিংড়ীতে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা ও অন্যান্য ফল বাজারে বিক্রি !
মে ১৩, ২০২০ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

আবু ছালেক ::

সাতক্ষীরার ফিংড়ীতে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো কলা ও অন্যান্য ফল বাজারে বিক্রয় হচ্ছে,কর্তৃপক্ষ নিরব।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সকল হাট বাজারে মাহে রমজান মাসে কাঁচা ও অপরিপক্ষ কলা সহ অন্যান্য ফল হিট ও কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বাজারে বিক্রয় হচ্ছে। কলার কাঁদির নিচে কেরোসিনের স্টোভ জ্বালিয়ে হিট দিয়ে পাকানো হয় এসব কলা। এতে ১২ ঘণ্টার মধ্যে পেকে যাচ্ছে কলা। তবে হিট দিয়ে পাকানো কলার ভেতরের অংশ সাধারণত শক্ত হয়। এসব কলা একেবারেই স্বাদহীন। এদিকে বিক্রির ক্ষেত্রে কলার দামের সঙ্গে যোগ হচ্ছে এই কেরোসিন আর কার্বাইডের দাম। এতে ফলের স্বাদ যেমন কমেছে, একই সঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও।কাচা ও অপরিপক্ষ যে কোনো ফলই তাপ দিয়ে পাকানো সম্ভব। এ তাপ পদ্ধতিতে আম পাকাতে তিন দিন সময় লাগে। পেঁপে দুই দিন, কলা ১ থেকে ২ দিন। এভাবে কলা পাকানোর পর এখান থেকেই পাইকারি দরে বিক্রয় করা হয়। পরে খুচরা ক্রেতাদের মাধ্যমে তা চলে যায় বিভিন্ন হাট-বাজারসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে। হিট ও কেমিক্যাল দিয়ে পেঁপে পাকানোর কারণে আগে একটি পেঁপে যেমন মিষ্টি লাগত, এখন সেটা মনে হয় না। এতে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারী থাকলে এভাবে ফল পাকাতে পারতেন না ব্যবসায়ীরা।
কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো এ ধরনের ফল খেলে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। একই সঙ্গে ফলের পরিপূর্ণ কোনো গুণাগুণ থাকে না। হিট দিয়ে পাকানো ফলের পুষ্টিগুণ ঠিক থাকে না। এসব ফল খেলে এলার্জিসহ নানা ধরনের চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সাধারণ ভোক্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া দরকার।অসাধু ব্যবসায়ীরা হিট ও কেমিক্যাল দিয়ে কলা পাকানোর পর তা বাজারে বিক্রয় করে ভোক্তাদের প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে। । এ ব্যাপারে সচেতন মহল উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন।