সাতক্ষীরার ব্যাংদহা বাজারে ভুমি অফিসের জায়গার দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ !


250 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার ব্যাংদহা বাজারে ভুমি অফিসের জায়গার দখল করে পাকা ঘর নির্মাণ !
আগস্ট ১১, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্যাংদহা বাজারে ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জমির মেহগনি গাছ কেটে জোরপূর্বক পাকা দোকানঘর নির্মাণ করার অভিযোগ ইঠেছে এক এনজিও কর্মীর বিরুদ্ধে। রোববার সকালে নির্মাণ কাজের ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ওই এনজিও কর্মী।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার জোড়দিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে ইয়াছিন সরকার, ইমান আলী মোড়লের ছেলে শফিকুল ইসলাম ও শেখ ফরিদের ছেলে একরামুল হক জানান, ব্যাংদহা বাজারে অবস্থিত ফিংড়ি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের বা কাছারি অফিসের ৯৮ শতক জমি রয়েছে। অফিসের সামনের ফাঁকা জায়গায় রমজান মাসে ইফতারি করা হয়। সেখানে পড়া হয় নামাজও রাস্তার পাশে হওয়ায় ওই জমির উপর নজর পড়ে তাদের গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে মানুষের জন্য ফাউণ্ডেশনের কর্মী শেখ আজিজুর রহমানের। তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগসাজস করে ভূমি অফিসের জায়গার একাংশ দখল করার পরিকল্পনা করে কৌশলে বাজারের ২০ বর্গফুট জায়গা চাঁদনী স্বত্ব হিসেবে ডিসিআর নিয়ে ভূমি অফিসের জায়গায় ছোট ভাইয়ের জন্য ঘর নির্মাণ করার পরিকল্পনা করেন।

এরই অংশ হিসেবে তিনি ওই জমি থেকে ১০ হাজার টাকা মূল্যের একটিমেহগনি গাছ গত ৩ আগষ্ট রাতের আঁধারে কেটে ফেলেন। এ জন্য তিনি ভুমি অফিসের দালাল আমিনউদ্দিনকে দিয়ে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ভূমি কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে ম্যানেজ করার কাজে লাগান। শনিবার দুপুর থেকে তিনি ভূমি অফিসের জায়গায় অবৈধভাবে পাকাদোকান ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই নির্মাণাধীণ ঘরের একাংশ ভেঙে দেন। এরপরও রোববার সকালে নতুন কাজ শুরু করলে সাতক্ষীরার সাংবাদিকরা সেখানে গেলে এনজিও কর্মী শেখ আজিজুর রহমান তাদেরকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

জানতে চাইলে শেখ আজিজুর রহমান বলেন, তিনি সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর মাধ্যমে গত ৮ আগষ্ট বাজারের চাঁদনী স্বত্ব হিসেবে ২০ বর্গফুট জায়গা চলতি বাংলা সনের পগেলা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত ডিসিআর নিয়েছেন। তবে ভূমি অফিস তাকে ২০ ফুট জায়গা চিহ্নিত করে মেপে দিয়েছেন কিনা তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে জায়গাটি ভূমি অফিসের নয় বলে তিনি দাবি করেন। একসনা ডিসিআর নিয়ে পাকা