সাতক্ষীরার ভুমি দখল চক্রের হোতা অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্য ও কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন !


160 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার ভুমি দখল চক্রের হোতা অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্য ও কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন !
অক্টোবর ২৬, ২০২১ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

ভুমিদখল চক্রের হোতাদের হাত থেকে রেহায় পেতে

আসাদুজ্জামান :
সাতক্ষীরা শহরের চিহ্নিত ভুমিদখল চক্রের হোতা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য তাইজুল ইসলাম, কথিত সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম (জামাই সিরাজ) ও মিলনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন ভূক্তভোগী এলাকার মানুষ। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অবসর প্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ¦ আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা শওকত হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মুনসুর আলী, আব্দুল হামিদ, সাবেক সেনা সদস্য ফারুকসহ ভুক্তভোগী জমির মালিকগন।

বক্তারা বলেন, মাগুরা মৌজায় ৬০১,৬০২,৬৫৬,৬৫৭ ও ৬৫৮ দাগের সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্নভাবে ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছেন ১৫ জন ব্যক্তি। উক্ত সম্পত্তি একই এলাকার মৃত সতীশ সরকারের পুত্র বলাই সরকার তার পৈত্রিক বলে দাবি তোলেন। অথচ উক্ত সম্পত্তি তার পূর্বপুরষগণ ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্রি কোবলার মাধ্যমে বিক্রয় করেন। সেখানে হাল জরিপ, মাঠ পর্চা, ৩০,৩১ ধারা এবং সর্বশেষ বি এস প্রিন্ট পর্চা মোতাবেক বলাই সরকারের পিতা প্রয়াত সতীশ সরকারের নামে হাল ১৩৫৩ দাগে ৭ শতক জমি ছাড়া অন্য দাগে কোন জমি নেই। তার প্রাপ্য সম্পত্তি তার দখলে রয়েছে। সম্প্রীতি বজায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য তাইজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম (জামাই সিরাজ) ও মিলন রায় সহ কতিপয় স্বার্থন্বেষী ব্যক্তির ইন্ধনে পূর্ব পুরুষদের বিক্রিত সম্পত্তি পুনরায় দাবি করেন।

এ নিয়ে বলাই সরকার অভিযোগ দায়ের করলে কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জসহ গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ৪ হাত রাস্তাসহ আপোষ মিমাংশা করে দেন। কিন্তু এরপরও অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য তাইজুল ইসলাম, সিরাজুল ও মিলন নিজেদেরকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, একজন সাংবাদিক ও অন্যজন গোয়েন্দা বিভাগের লোক দাবি করে উক্ত জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন। তাইজুলের বাড়ি বাগেরহাট জেলায় হলেও সাতক্ষীরায় অবস্থান করে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকার জমিজমা নিয়ে মানুষকে হয়রানি করছে। তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

বক্তারা এ সময় ভুক্তভোগী জমির মালিকরা যাতে এই ভুমি দখল চক্রের হাত থেকে তাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তি রক্ষা করতে পারেন সেজন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে তারা উক্ত চিহ্নিত ভুমিদখল ও দালাল চক্রের হোতা জামাই সিরাজ, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য তাইজুল ও মিলনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী জানান।