সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ব্র্যাক ব্যাংকে মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা নেয়ার জন্য খোলা হয়েছে আরও একটি ব্যুথ


395 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ব্র্যাক ব্যাংকে মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা নেয়ার জন্য খোলা  হয়েছে আরও একটি ব্যুথ
সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরার মোটরযান মালিক ও চালকদের জন্য সু-খবর। মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখায় আরও একটি ব্যুথ খোলা হয়েছে। এখন থেকে পৃথক ২টি ব্যুথে টাকা জমা নেয়া হবে। ফলে প্রতিদিন ব্যাংক চলাকালীন সময়ে আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন অর্থাৎ দেড় শতাধিক ব্যক্তি তাদের মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা জমা দিতে পারবেন। গত মঙ্গলবার থেকে সাতক্ষীরা ব্র্যাক ব্যাংকে পৃথক দুটি ব্যুথের মাধ্যমে টাকা জমা নেয়া শুরু হয়েছে বলে জানাগেছে।

ব্র্যাক ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখার ব্যবস্থাপক শেখ জহির আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে ভয়েস অব সাতক্ষীরা ডটকমকে জানান, এখন থেকে ব্যাংকে আর মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের জন্য তেমন ভীড় হবে না। উদ্ধর্তন মহলের নির্দেশে দু’দিন আগে থেকে পৃথক ২টি ব্যুথে টাকা জমা নেয়া শুরু হয়েছে। ফলে আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে ভীড় স্বাভাবিক পর্যায় চলে আসবে। দূর-দূরাত্ব থেকে টাকা জমা দিতে এসে কাউকে আর ভোর থেকে লাইনে দাঁড়াতে হবে না বা ফিরে যেতে হবে না। ব্যাংকের স্বাভাবিক কাজকর্মেও গতি বাড়বে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন ব্যাংক চলাকালীন সময়ে দেড় শতাধিক ব্যক্তি মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দিতে পারবেন।

তথ্যানুসন্ধানে জানাযায়, ব্র্যাক ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখায় একটি মাত্র ব্যুথে মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা জমা নেয়ার কারণে প্রতিদিন শত শত মানুষ টাকা জমা দিতে না পেয়ে ফিরে যেতো। প্রচন্ড ভীড় হওয়ার সুযোগে ওই ব্যাংকের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাথে যোগসাজশে একটি প্রতারক চক্র মানুষের সাথে প্রতারণা শুরু করে আসছিল।

প্রতারণার বিষয়টি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান গোপনে জানতে পেরে গত ২৬ আগষ্ট ওই ব্যাংকে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি টিম পাঠান। সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন হমলকেও তিনি বিষয়টি জানান।
ওই দিন দুপুর ১২ টায় ব্র্যাক ব্যাংক সাতক্ষীরা শাখায় সাতক্ষীরার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  বিষ্ণুপদ পাল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদের যৌথ অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। আদালতের বিচারকবৃন্দ দুই জন প্রতারককে হাতেনাতে ধরে সাজা প্রদান করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে খলিলুর রহমান ও সুলতানপুর ঝিলপাড়া এলাকার আনোয়ার আলীর ছেলে হযরত আলী।

জেলা প্রশাসকের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে বন্ধ হয় প্রতারণা। বিষয়টি উদ্ধর্তন মহলের জনরে আসার পর সম্প্রতি ওই ব্যাংকে আরও একটি ব্যুথ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়।