সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড়বাজারে ভাড়াটিয়া তাড়াতে অভিনব কৌশল


417 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরার সুলতানপুর  বড়বাজারে ভাড়াটিয়া তাড়াতে অভিনব কৌশল
এপ্রিল ১৯, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা সুলতানপুর বড়বাজারে দোকানঘর ছাড়তে রাজি না হওয়ায় দোকানের সামনে বালু ফেলে কৌশলে দোকান বন্ধ রাখতে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মার্কেট মালিকের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটছে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরস্থ বড়বাজারে। এঘটনায় ব্যবসায়ী আব্দুল মুজিদ বর্তমানে হতাশাগ্রস্থ হয়ে সঠিক বিচারের দাবীতে বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শুধু বালি ফেলেই শান্ত হয় নি দোকান মালিক ভাড়াটিয়াকে জব্দ করতে ভাড়াটিয়ার ২ ছেলের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিও করা হয়েছে বলে ওই দোকানের ব্যাবসায়ী সুলতানপুর এলাকার আব্দুল মুজিদ।

বড় বাজারের ব্যবসায়ী খান এ্যালুমিনিয়াম স্টোরের মালিক আব্দুল মুজিদ জানান, বিগত ২৮ অক্টোবর ২০০১ তারিখে (জ ৩৫৮৯৭৭৩ নং নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে) সুলতানপুর এলাকার মইনুর রহমান চৌধুরীর স্ত্রী মোসলেমা খাতুনের নামীয় বড়বাজারস্থ ময়না প্লাজার একটি দোকান ঘর চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ভাড়ানেন। চুক্তিপত্র মোতাবেক তিনি যতদিন বেঁেচ থাকবেন এবং তার মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশগণও ওই প্রতিষ্ঠানে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাইলে তারা ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন মর্মে চুক্তিপত্র সম্পাদন করাহয়।

তবে মালিক পক্ষ প্রতি ৫ বছর পর পর শুধু মাত্র ভাড়াবৃদ্ধি করতে পারবেন। কিন্তু গত মার্চ মাস থেকে মার্কেটের মালিক মোসলেমা বেগম তাদের কাছ থেকে ভাড়া নিচ্ছেন না। এরপর আব্দুল মুজিদ আদালতের মাধ্যমে ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেও মোসলেমা বেগম তা গ্রহণ করেন নি। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে মোসলেমা বেগম জানিয়ে দেন পূর্বের চুক্তিপত্র বাতিল করতে হবে। তাছাড়া তার দোকান ছেড়ে দিতে হবে।

এতে ব্যবসায়ী আব্দুল মুজিদ রাজি না হওয়ায় তার দুই  ছেলে ওভি (২৫) ও ঢাকার একটি কোম্পানীতে কর্মরত বড় ছেলে পারভেজ(৩০) এর নামে একটি ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

এদিকে ওই দোকানের চুক্তিপত্রের সকল বৈধ কাগজপত্র মুজিদের পক্ষ থাকায় তারা আইনী লড়ায়ে জিততে পারবে না ভেবে আব্দুল মুজিদের দোকানের সার্টেরর সামনে বালু ফেলে রাখা হয়েছে। এতে করে দোকনে সবগুলো সার্টার বন্ধ হয়ে গেছে। যে কারনে বর্তমানে ব্যবসা বন্ধ রয়েছে।

আব্দুল মুজিদ আরো জানান, আমার বড় ছেলে পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছেন। অথচ কিভাবে আমার সেই ছেলেকে ওই মিথ্যা মামলায় জড়ানো হলো এটা আমার বুঝে আসছে না।

তিনি অবিলম্বে ওই মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলেদের অব্যাহতি ও বালু সরিয়ে সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এব্যাপারে মার্কেটের মালিক মোসলেমা বেগমের সাথে মোবাইলে ( ০১৭১১৯৬৫৭১০)যোগযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এব্যাপারে বড় বাজার এ্যালুমিনিয়াম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ধলু মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে সমাধানে চেষ্টা করছি।