সাতক্ষীরায় অনলাইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে সংলাপ


200 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় অনলাইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে সংলাপ
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২০ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

॥ শাহিদুর রহমান ॥

সাতক্ষীরার ত্রিশমাইলে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২০) দুপুরে অগ্রগতি সংস্থার প্রাকটিক্যাল ট্রেনিং এন্ড রিসোর্স সেন্টার (পিটিআরসি)তে অনলাইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচারক, আইনজীবী, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কিশোর-কিশোরী ও কর্মজীবী শিশুদের সমন্বয়ে যৌথ উদ‌্যোগ সম্পর্কিত সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত সংলাপটি অগ্রগতি সংস্থার আয়োজনে এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।সংলাপটিতে অধ্যাপক আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন অগ্রগতি সংস্থার পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী যোগদান করেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার সালমা আক্তার (সিনিয়র সহকারী জজ) সাতক্ষীরা, সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ডিএসবি পুলিশের এসআই নূর মোহাম্মদ, সদর থানার সেকেন্ড অফিসার শেখ হাবিবুর রহমান।

এছাড়া আরোও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. আ: সবুর, এপিপি শেখ মুস্তাফিজুর রহমান, আইনজীবী স.ম মমতাজুর রহমান, সাংবাদিক কৃষ্ন ব্যানার্জী, ভয়েস অব সাতক্ষীরার বার্তা সম্পাদক শাহিদুর রহমান, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আনজুমান আরা, নারী নোত্রী আলেয়া আইয়ুব, ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্সের শরিফুল ইসলাম।এছাড়াও মোট ৩০ জন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্হিত ছিলেন।

উক্ত সংলাপটিতে অনলাইনে শিশু নির্যাতনের মাধ্যম, অনলাইনে শিশু নির্যাতনের ধরন, আইনি বিধান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ তে অনলাইনে শিশু যৌন নির্যাতনের প্রতিকার পেতে কী কী ঘাটতি রয়েছে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এসময় সম্মানিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, যেহেতু ইন্টারনেট বা তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য, সেহেতু অন্তত শিশুদের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির ব্যবহার এখনই নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরী। শিশুরা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কি করতে পারবে, কি করতে পারবে না, কোন সাইটে প্রবেশ করা যাবে, কোনটিতে যাবে না, কোনটি শিশুর জন্য ক্ষতিকর ও হুমকি সরূপ তা নির্দিষ্ট করা দরকার। এ কাজগুলির ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

এসময় বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং সরকারের সম্মিলিত উদ্যোগেই আমরা আমাদের আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে পারি, শিশুদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিবেশ তৈরি করে দিতে পারি। আর এর মধ্য দিয়ে আমরা পাবো মেধাবী এক প্রজন্ম যারা আমাদের এ সোনার বাংলাকে উন্নত থেকে উন্নততর অবস্থানে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ হবে নিরাপদ তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ-এটাই হউক আমাদের প্রত্যাশা।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উক্ত প্রজেক্টের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মাসুম বিল্লাহ সোহাগ।

#