সাতক্ষীরায় আ’লীগ নেতা নজরুল হত্যায় মামলায় গ্রেফতার নেই


276 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় আ’লীগ নেতা নজরুল হত্যায় মামলায় গ্রেফতার নেই
জুলাই ২৩, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

একই পরিবারে ১১ বার হামলা

বিশেষ প্রতিনিধি :
সোমবার দিন দুপুরে গুলি করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় তার ছেলে এনামুল হক পলাশ বাদি হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় তিনি সুনির্দিষ্টভাবে কোনো আসামির নাম উল্লেখ না করলেও বলেছেন ‘ আমার বড় কাকা সিরাজুল ইসলাম ও কাকাতো ভাই রাসেল কবিরকে যারা পৃথক ঘটনায় হত্যা করেছিল তারাই আমার বাবা নজরুলকে গুলি করে হত্যা করেছে’।

সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. ইলতুৎমিশ জানান ‘ আসামিদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। অচিরেই আসামি গ্রেফতার হবে বলে আশা করছি’।

সোমবার রাতে দায়ের করা মামলায় (মামলা নম্বর ৬০ ) তিনি উল্লেখ করেন যে তার বাবা ও পরিবারের সাথে স্থানীয় সাবেক মেম্বর তৌহিদের বিরোধ চলছিল। এই তৌহিদের বাড়ির সামনেই সাতক্ষীরার কদমতলার হাজামপড়ায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এনামুল হক পলাশ জানান তার বড় কাকা মো. সিরাজুল ইসলামকে ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর বাড়িতে ঢুকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। এ সময় তাদের বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ¦ালিয়ে দেওয়া হয়। এই মামলার বাদি ছিলেন সিরাজুল ইসলামের ছেলে রাসেল কবির । সেই রাসেল কবিরকে সন্ত্রাসীরা ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল রাতে শহরের কলেজপাড়ায় গুলি করে হত্যা করে ।

এ সংক্রান্ত দুই মামলার সূত্র ধরে তিনি বলেন এতে আসামি ছিলেন আসগর আলি, আক্তার আলি, কবির হোসেন, মুকুল , শাহিনুর,আবুল খায়ের, মতিয়ার , রেজাউল,আইউব আলি, আইউব হোসেন, রাজু ,মহব্বত, তৌহিদ, ইমাম, ইয়াকুব ও ইকবাল। তারা সবাই তার বাবা নজরুল হত্যায় জড়িত বলে জানান পলাশ। পলাশ আরও বলেন নিজের ভাই ও ভাতিজাকে হারিয়ে তার বাবা নজরুল ইসলাম ভীত হয়ে পড়েন। তিনি জীবনের নিরাপত্তার জন্য সাতক্ষীরা থানায় রাত্রি যাপন করতেন। কিছুদিন আগে থেকে তিনি বাড়িতে থাকা শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন তার কাকার ছেলে রাসেল কবিরও জীবনের ভয়ে গ্রামের বাড়ি কুচপুকুর ছেলে শহরের ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তিনিও শেষ পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচতে পারেন নি। এথন তাদের পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় উল্লেখ করে পলাশ বলেন আমরা আতংকিত। হত্যায় আরও কয়েকজন জড়িত বলে তিনি জানান।
পলাশ উল্লেখ করেন যে তার বড় কাকা সিরাজুল হত্যার সাথে জড়িত দুই আসামি আগরদাঁড়ি ইইনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনারুল ইসলাম ও হবিবর রহমান ওরফে হবি ডাকাত গত ২০১৩ সালের ৩০ ডিসিম্বর এবং একই সালের ১৫ ডিসেম্বর পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।