সাতক্ষীরায় এক মাদক ব্যবসায়ীর কবল থেকে সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


348 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় এক মাদক ব্যবসায়ীর কবল থেকে সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
সাতক্ষীরায় মসজিদ কমিটির একটি ভূয়া ডিড দেখিয়ে একটি স্বার্থান্বেষি মহল এক দীনমজুর ভ্যান চালকের পৈত্রিক ২৯ শতক জমি জবর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে ভ্যান চালক বিল্লাল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশিমপুর মৌজার জে,এল-৯৩, এস,এ-৫২৬ খতিয়ানের লিখিত সাবেক ৩২৬ দাগে ২৯ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদের মাধ্যমে ভোগ দখল করে আসছেন। কিন্তু এলাকার চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের, রফিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও ফারুক হোসেনের কু-নজর পড়ে তাদের এই জমির উপর। তারা এই জমি আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে আশাশুনি উপজেলার হাজিপুর জামে মসজিদ কমিটির কাছ থেকে লীজ নিয়েছে মর্মে একশত পঞ্চাশ টাকার একটি নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে স্বাক্ষরিত ভূয়া ডিড দেখায়। বিষয়টি সম্পূর্ন জালিয়াতি মনে করে ন্যায় বিচারের দাবিতে আগরদাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান মালীর কাছে একটি আবেদন করা হয়। চেয়ারম্যান ওই ডিড এর সত্যতা যাচাইসহ আইনগত মতামতের জন্য দাতা আশাশুনি উপজেলার হাজিপুর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি/সম্পাদককে তার কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য ২০১৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে অদ্যবধি পৃথক ভাবে পর পর তিন বার নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু তারা কেউ একবারও হাজির হয়নি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মাদক ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের ডাকাতি ও মাদকসহ প্রায় একডজন মামলার আসামী। মাদক ব্যবসায়ী হওয়ায় কাদের গংরা এলাকায় অত্যান্ত প্রভাবশালী। তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তারা  অসৎ উপায়ে আমার পৈত্রিক ২৯ শতক ফসলী জমি জবর দখলের জন্য পার্শ্ববর্তী উপজেলার একটি মসজিদ কমিটির নামে ভূয়া ডিড দেখিয়ে জমিতে লাগানো সরিষা উঠানোর ষড়যন্ত্র করছে। তিনি ওই মাদক ব্যবসায়ীর ষড়যন্ত্র ও হুমকি থেকে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তাসহ জমি জায়গা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে আইন প্রয়োগকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, সুশিল সমাজ ও হাজিপুর মসজিদ কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।