সাতক্ষীরায় এক সেনা সদস্য’র পরিবারকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র


438 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় এক সেনা সদস্য’র পরিবারকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র
অক্টোবর ১৯, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা পৌরসভার রাজার বাগানে এক সেনা কর্মকর্তার পরিবাবকে নিজ বাড়ি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে রাজার বাগান গ্রামের সার্জেন্ট রবিউল হাসানের স্ত্রী তাছলিমা খাতুন এই অভিযোগ করেন।

এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কয়েকবছর পূর্বে রাজার বাগান এলাকায় ৫ কাঠা জমি ক্রয় করে তারা সেখানে দুই মেয়েসহ ৩ সন্তান নিয়ে বসবাস করে আসছেন। মালিকের কাছ থেকে প্লট আকারে জমি ক্রয়ের কারনে চারিদিকে প্রাচীর দেওয়া রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তাদের প্রতিবেশি মৃত ওলিউল রহমানের ছেলে রুহুল কুদ্দুসের কুনজর পড়ে তাদের জমির উপর। ওই জমির মধ্যে তার জমি রয়েছে বলে প্রচার দিয়ে রুহুল কুদ্দুস নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই মধ্যে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১১/৫/১৬ তারিখে যশোর ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালে ভর্তি হন তাছলিমা খাতুন। সেখানে দীর্ঘ ১৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়ি ফিরে দেখেন কুদ্দুস একটি বিল্ডিং তৈরি করছেন। বিল্ডিং এর জানালা ও বীম রবিউল ইসলামের জমির মধ্যে। এবিষয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভায় অভিযোগ দিলেও পৌর কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এরই মধ্যে কুদ্দুস নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলার দরজা তৈরি করে ফেলেন। উপায় না পেয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেন তাছলিমা খাতুন।

পুলিশ সুপার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাতে বিষয়টি সমাধানের নিদের্শ দেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্থানীয় কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপাকে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু কাউন্সিলর পাপা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন। অপরদিকে কুদ্দুস দ্রুতগতিতে তার বিল্ডিং এর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিল্ডিংয়ের প্রস্রাব পায়খানার চেম্বার, ছাদের পানির লাইন সব রবিউল ইসলামের জমির মধ্যে। তাছলিমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, কাউন্সিলর পাপা কুদ্দুসের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা নিয়ে ভোট করেন। এজন্য এখন তিনি কুদ্দুসকে কিছু বলতে পারছেন না। তার অভিযোগ, ক্রয়কৃত ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্য কুদ্দুস রবিউল ইসলামের বাড়ির মধ্যে ছেলেদের হোস্টেল করছে। তিনি বলেন, তার দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। সেখানে ছেলেদের হোস্টেল হলে মেয়েদের নিয়ে তিনি কিভাবে থাকবেন। তিনি বলেন, কুদ্দুস প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলছে ৫ লক্ষ টাকা দিচ্ছি বাড়ি ছেলে চলে যাও। অথচ ওই জমি ২০১০ সালে ৮ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করা, এখন যার মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা। তিনি বলেন, কাউন্সিলর পাপাকে পুলিশের পক্ষ থেকে বারবার বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দিলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বিলম্ব করছেন।
এ ব্যাপারে তিনি ক্দ্দুুসের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।