সাতক্ষীরায় করোনা প্রতিরোধে সাড়াশি অভিযান অব্যাহত


188 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় করোনা প্রতিরোধে সাড়াশি অভিযান অব্যাহত
মার্চ ২৫, ২০২০ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

প্রেস নোট
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, এস এম মোস্তফা কামাল মহোদয়ের নির্দেশে সাতক্ষীরা জেলার প্রতিটি উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সহকারী কমিশনারদের নেতৃত্ব বাজার মনিটরিং করা হয়, করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ হয় এবং হোম কোয়ারেন্টিন অমান্য করায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হয়।
সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাজার মনিটরিং করতে বেশকিছু বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। ব্রহ্মরাজপুর বাজারে অতিরিক্ত দামে চাল বিক্রি করায় এক ব্যবসায়ীকে ১০,০০০ টাকা জরিমানা করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি), সাতক্ষীরা সদর লাবনী মোড়, বড়বাজারে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু দোকান বন্ধ করে দেন।

বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লিখন বণিক সাতক্ষীরা শহরের লাবনী মোড় থেকে সংগীতা মোড় হয়ে নারিকেল তলা ও খুলনা মোড়ে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঔষধ, মুদি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এর দোকান ব্যতীত অন্যান্য দোকান বন্ধ রাখার জন্য জনগনকে সচেষ্ট করে। এছাড়া, বড়বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য যাচাই করে।
দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান আকরামুল, ইন্দ্রজিৎ সাহা, মোঃ আজাহার আলী, সাতক্ষীরা বড় বাজার, আলীপুর বাজার, বাদামতলা, ভোমরাসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন।
সাতক্ষীরা জেলার আলিপুর বাজার হয়ে বাদামতলা বাজার পর্যন্ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এসময় বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য যাচাই করা হয় এবং ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ছাড়া অধিকাংশ দোকান বন্ধ পাওয়া যায়। যে দু একটি দোকান খোলা পাওয়া যায় তাদের দোকান বন্ধ নিশ্চিত করা হয়, কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় এবং গনজমায়েত না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

আশাশুনি উপজেলার সকল ইউনিয়নে সচেতনতামূলক মাইকিং করা হয়। নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া সকল দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নূরুল আমিন এবং উম্মে মুসলিমা কদমতলা থেকে ঝাউডাঙ্গা পর্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার মূল্য যাচাই করে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ব্যতীত অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। কিছু চায়ের দোকান খোলা পাওয়া গেলে তাদের কঠোর ভাবে সতর্ক করা হয়।

কালিগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি), কালিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে ঘুরেঘুরে বাজার মনিটরিং করার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করে।বিভিন্ন মনিটরিং টিম মোট ২৬ টি অভিযান পরিচালনা করেন।

সরকারি আদেশ অমান্য করার শ্যামনগর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার একজনকে ১০০০ টাকা জরিমানা করেন। দ্রব্যের দাম স্থিতিশীল আছে।

দেবহাটা উপজেলায় সচেতনতামূলক মাইকিং অব্যাহত আছে। কেউ হোম কোয়ারেন্টিন অমান্য করেননি। বাজারে মনিটরিং টিম কাজ করছে এবং দ্রব্যের দাম স্থিতিশীল আছে।

কলারোয়া উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলারোয়া, হেলাতলা বাজার সহ কয়েকটি বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আছে। হোম কোয়ারেন্টিন অমান্য করায় এক ব্যক্তিকে ২০০০ টাকা জরিমানা করেন।

তালা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার ভূমি এবং অন্যান্য টিমের মাধ্যমে শতভাগ হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ৬৫ হাজার পরিবারের প্রতিটি ঘরে জীবাণু নাষক স্প্রে করা হচ্ছে এবং সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
আশাশুনি উপজেলার সকল ইউনিয়নে সচেতনতা মূলক মাইকিং করা হচ্ছে। জরুরি দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধ করা হয়েছে।

জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।