সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র ছেলের নামে নারী নির্যাতনের মিথ্যে মামলার প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন


698 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র ছেলের নামে নারী নির্যাতনের মিথ্যে মামলার প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন
মে ৩০, ২০১৮ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

 

সাতক্ষীরায় মামলাবাজ মাদক ব্যবসায়ী মহিলা কর্তৃক এক কলেজ ছাত্রের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হয়রানি মূলক মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দুদলি গ্রামের বাশারাত উল্লাহ সরদারের স্ত্রী মোছাঃ নুর নাহার বেগম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের আবু বাক্কার সিদ্দিকের মেয়ে মামলাবাজ মাছুরা বেগম আমার বড় ছেলে নাসির উদ্দিন কালিগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে পড়া অবস্থায় তাকেসহ পরিবারের সদস্যদের নামে কালিগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করে। কালিগঞ্জ থানা পুলিশ মাছুরার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গত ৭ জানুয়ারী আমার বাড়িতে গিয়ে আলমীরা ভেঙ্গে ব্যাংকের চেক ও মো¦বাইলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। গত বছর ৩১ ডিসেম্বর আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় ওসি সুবির দত্ত। এছাড়া মামলা রেকডের তিন দিন আগে ২৪ জানুয়ারী আমাকে গ্রেফতার করে তিন দিন থানায় আটকে রাখে। পরে উক্ত মামলায় আমার ছেলে নাসিরসহ আমরা সকলে আদালত থেকে জামিন পাই। এই খবর পেয়ে বাদি মাছুরা বেগম আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করতে থাকে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ২৬ মে মাছুরা বেগম, আবু বাক্কার, সফুরা খাতুন ও ইউনুচ আলী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার বাড়িতে ঢুকে আমাকে ও আমার স্বামীসহ ছোট ছেলে মোহনকে এবং বড় ছেলে নাসির উদ্দিনকে গালিগালাজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করলে উল্লেখিতরা আমাদেরকে মারপিট করে। আমার কাপড় টেনে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এসময় তারা আমার গলার দেড়ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ও আলমীরা থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকাসহ মূল্যবান কাগজপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এঘটায় তারা মামলা না করার হুমকি দিয়ে যায়। তাদের ভয়ে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ছাড়া হয়ে বর্তমানে চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি। তিনি বহ বিবাহের নায়কিা মামলাবাজ মাদক ব্যবসায়ী মাছুরা বেগম গংদের হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।