সাতক্ষীরায় খাদ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা


316 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় খাদ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
নভেম্বর ২১, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল আলম মুন্না :
সবার জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও পুষ্টি চাই, খাদ্য অধিকার আইন চাই এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে উন্নয়ন সংগঠন স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্তের সঞ্চালনায় এবং চুপড়িয়া মহিলা সমিতির সভানেত্রী মরিয়ম মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় পার্টির সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আজহার হোসেন ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোঃ আব্দুল হামিদ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্রিসেন্টের নির্বাহী পরিচালক মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী, সিডোর নির্বাহী পরিচালক শ্যামল বিশ্বাস, জিডিএফের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত  ও খুরশিদ জাহান শিলা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্যের চাহিদা সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন। তবে এই খাদ্য হতে হবে নিরাপদ ও পুষ্টিকর। বর্তমান সরকার জনমানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য কৃষিখাতকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য এবং এটির উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন। এছাড়া বর্তমার সরকারের প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারনে দেশের খাদ্য  চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করছে এটা আ.লীগ সরকারের বড় সফলতা। আমাদের খাদ্যাভাসে শাক-সবজি, ফলমূল, ছাড়াও স্বল্পের মূল্যের খাবারে অনেক বেশি পুষ্টি রয়েছে যেটা মানুষের শরীরের জন্য  অত্যান্ত উপকারী ও প্রয়োজনীয়। কিন্তু আমরা সেটিকে বাদদিয়ে বিদেশী বা উন্নত খাবারের প্রতি নজর রাখি । বর্তমান সরকারের প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার  প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে 2 কোটি মানুষকে দশ টাকা দরে চাউল দেওয়া হচ্ছে  যাতে কোন মানুষ না খেয়ে মারা না যায়। তবুও বর্তমান সরকারের সফলতাকে বিঘ্নিত করতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জনস্বার্থে ব্যঘাত ঘটাটে খাদ্যে ভেজাল দিয়ে মানুষকে মারাত্মক ঝুকির মধ্যে রেখেছে এজন্য সকলকে ভেজাল প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে আহবান করেছেন। এই অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা নীতি নির্ধারকদের প্রতি তিনটি দাবি তুলে ধরেছেন 1) অবিলম্বে সরকারী উদ্যোগে খাদ্য অধিকার আইন প্রনয়ন, 2) খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে আইন প্রনয়ন নিশ্চিত করুন এবং আইন প্রনয়নে জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা ও নাগরিক সমাজসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার আহবান করেছেন।