সাতক্ষীরায় ঘুর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি


164 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় ঘুর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি
মে ১৮, ২০২০ আশাশুনি দুুর্যোগ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

সুমন মুখার্জ্জী :
সাতক্ষীরায় ঘুর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবন উপকূলবর্তী এলাকার মানুষ যাতে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয় সেজন্য সোমবার সকাল থেকে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা কাজ করছেন। ইতোমধ্যে আড়াই হাজার মানুষ সোমবার দুপুর পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে বলে জানাগেছে।

আজ সন্ধ্যার মধ্যে যাতে দ্বীপ অঞ্চল গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেয় সে জন্য কাজ করা হচ্ছে। ওই দুটি দ্বীপ সাতক্ষীরার সব চেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা। এই দুটি ইউনিয়নে প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের বসবাস।

সাতক্ষীরা জেলা ত্রান কর্মকর্তা মো: আব্দুল বাছেদ ভয়েস অব সাতক্ষীরাকে জানান, সাতক্ষীরা জেলায় ১৪৫টি সাইক্লোন সেল্টার এবং ১ হাজার ১২৭টি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের আড়াই হাজার মানুষ সোমবার দুপুর পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া ১২ লাখ টাকা ও আড়াই’শ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ও ২২৫ মেট্রিকটন চাল মজুদ রয়েছে।এছাড়া ৮ লাখ টাকার শিশু খাদ্য কেনার প্রস্তুতি চলছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল ভয়েস অব সাতক্ষীরাকে বলেন, ঘুর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকে সেদিকে বিশেষ ভাবে নজর দেয়া হবে।

তিনি বলেন, যারা করোনা উপসর্গ নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আসবেন তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে আইশোলেসনে রাখা হবে। তিনি বলেন, গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন সব চেয়ে বেশি ঝুকিপূর্ণ এলাকা। সেখানকার মানুষ যাতে নিরাপদে আশ্রয় নেয় সেজন্য উদ্ধারকারী দল সোমবার সকাল থেকে কাজ করছে। গাবুরার কয়েকটি স্থানে ভেড়িবাঁধে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। সকাল থেকে ভেড়িবাঁধ সংস্কার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রতিটি এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে, যাতে তারা সচেতন হয়।

#