সাতক্ষীরায় চিংড়ী রপ্তানী ধ্বংসের মুখে !


290 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় চিংড়ী রপ্তানী ধ্বংসের মুখে !
জুলাই ৯, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

॥ মিঠু বরকন্দাজ ॥

বাংলাদেশের সাদা সোনা নামে খ্যাত বাগদা চিংড়ী। দেশের রপ্তানীর আয়ের সিংহভাগই আসে এই চিংড়ী থেকে। রপ্তানীকৃত চিংড়ীর বেশি ভাগই উৎপাদন হয় সাতক্ষীরা জেলায়। কিন্তু, সম্প্রতি প্রাশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা করছে বাগদা চিংড়ীতে অপদ্রব্য পুস। অত্র এলাকার ঘের ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকার বাগদা চিংড়ী বিক্রয় করে। আর অসাধু ব্যবসায়ীরা বাগদা চিংড়ী কিনে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বাংলাদেশের সাদা সোনা নামে খ্যাত চিংড়ীগুলোতে অপদ্রব্য ভরাচ্ছে সিরিঞ্জ দিয়ে। যেমন ময়দা, সাবু, ইসুব গুলি ভূসি এবং জেলী। এগুলো প্রসাশন না ধরতে পারে সে জন্য মেশানো হচ্ছে বিভিন্ন গাছের, লতা-পাতার রস। তাদিয়ে মাছের গায়ের রংএর মত করা হচ্ছে কালার। অধিক মুনাফা লাভের জন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর হাতে ধংস হচ্ছে বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম রপ্তানী চিংড়ী মাছ। আজ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ীর যে ব্যাপক চাহিদা ছিলো সেটা কমে যাচ্ছে। যার কারনে বিপদগামী হচ্ছে ঘের ব্যবসায়ীরা। এসব অসাধু চিংড়ী ব্যবসায়ীরা ঘের থেকে চিংড়ী মাছ ক্রয়ের পর ওজন বাড়ানোর জন্য এইসব অপদ্রব্য ব্যবহার করে। তাতে কেজি প্রতি চিংড়ী মাছে ১৫০-২০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজন বাড়তী হয়। পরিচয় গোপন করে এক অসাধু ব্যবসায়ীরা কাছে অপদ্রব্য প্রয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, মোকাম ছাড়া কেজি প্রতি চিংড়ী আমরা ১শ থেকে ১৫০ টাকা দিয়ে কিনে থাকি। আর এই ঘাটতি টাকা তুলে, লাভ করতে আমাদের এইসব করতে হয়। তবে শুধু জল পুস করলে চিংড়ী মাছ বাজার জাতকরনে কোন সমস্যা হয় না। কিন্তু, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে যারা জলের পরিবর্তে খারাপ কিছু পুস করার কারনে চিংড়ী বাজারজাত করনে ব্যহত হচ্ছে। অধিক মুনাফা লাভের জন্য এইসব অপদ্রব্য পুসের হাত থেকে প্রসাশনের উদ্ধত্মন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছে সকল ঘের ব্যবসায়ীরা।

#