সাতক্ষীরায় জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অমৎস্যজীবি প্রতিনিধি রাখার অভিযোগ


353 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অমৎস্যজীবি প্রতিনিধি রাখার অভিযোগ
মে ৩১, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

কৃষ্ণ ব্যানার্জী ::
জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে মৎস্যজীবি প্রতিনিধি হিসেবে রাজাকার পুত্র, বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে সুবিধা ভোগী ও অমৎস্যজীবি জিল্লুর রহমানের অপসারনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। বাশদহ মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল্লাহ ও রুপালী মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক আবুল নিকারী  এ আবেদন করেন।
লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের দরিদ্র মৎস্যজীবিদের দরিদ্র বিমোচন জলমহালে অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিগত সরকারের ২০০৫ সালের নীতিমালা বাতিল ঘোষণা করে। বর্তমান জাল যার,জলা তার নীতির আলোকে ২০০৯সালের জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন। এছাড়া জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক মৎস্যজীবি সংগঠনের দুই জন প্রতিনিধি  থাকার বিধান রেখেছেন। কিন্তু  প্রতিনিধি দুজনের মধ্যে একজন ভরসা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে এক অমৎস্যজীবি সংগঠনের নেতা যিনি  তালা উপজেলার আঠারুই গ্রামের চিহ্নিত রাজাকার আব্দুল ওহাব গাজীর পুত্র জিল্লুর রহমান। তার বাবার নামে রাজাকার হিসেবে মুক্তিযোদ্ধে সাতক্ষীরা গ্রন্থে তালা থানার রাজাকার-আলবদর তালিকায় ৪৪নং ক্রমিকে লিপিবদ্ধ আছে।
শুধু তাই নয় বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমল থেকে সদরের বাঁশদহ বাওড় জলমহালটি যার আয়তন ৩৭.৮৯ একর বে-আইনে তিনটি খন্ডে বিভক্ত করে ইজারা দিয়ে লাভবান হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি থেকে জিল্লুর রহমানকে অপসারণ করে দুইটি নতুন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়ার দাবি করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত জিল্লুর রহমান জানান,আমার বিরুদ্ধে একটি মহল একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে। আমি ভরসা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি। যার ২০০৮ সালে রেজি: করা হয়েছে। নং ৯২/৭ । এবং বাবার রিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়।
জেলা প্রশাসক আবুল কাশেস মো: মহিউদ্দীন  প্রতিনিধিকে জানান, এমন কোন অভিযোগ আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বব ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।