সাতক্ষীরায় জালিয়াতি চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা


457 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় জালিয়াতি চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা
জুলাই ৪, ২০১৭ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

সাতক্ষীরার ভোমরায় রেকডিয় সম্পত্তি জবরদখল করতে না পেরে স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক মিথ্যে মামলা দিয়ে ও ভূয়া সংবাদ প্রকাশ করে কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সদর উপজেলার ভোমরা গ্রামের মৃত হারুন অর রশিদ গাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৮৯ সালে তিনিসহ একই এলাকার শহিদুল ইসলাম, আছিয়া খাতুন, অফছার আলী, রোকেয়া খাতুন, মাছুরা, মোস্তফা আজিজুল হক ও গণি সরদার মিলে ভোমরা মৌজায় ১/২ খতিয়ানের ১৮৪৫ দাগ, বর্তমান ৯৯১ খতিয়ানের ৩০৭৭ দাগে মোট ১ একর ৬০ শতক জমি মৃত বন্দে আলী মিয়ার ছেলে গোলাম মোস্তফা ও আয়েন উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে জিন্নাত হাওলাদারের কাছ থেকে ক্রয় করেন। এরপর থেকে তারা সকলেই ওই সম্পত্তি শান্তিপূর্নভাবে ভোগদখল করে আসছেন। উক্ত সম্পত্তি আমাদের রেকডীয় এবং ১৪২৩ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিষদ করা আছে। বর্তমানে ভোমরা স্থলবন্দর পূর্ণাঙ্গ বন্দরে রূপান্তরিত হওয়ায় এবং আমাদের ওই সম্পত্তি রাস্তার ধারে বিলান জমি হওয়ায় তার মূল্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সেকারনে ওই এলাকার মৃত ছাকাত উল্লাহ গাজীর ছেলে জালিয়াতি চক্রের হোতা জালাল উদ্দিন ও অদুদ গাজীর ছেলে কামরুল গং, মৃত হাতেমের ছেলে ইবাদুল ইসলাম, জোব্বার গাজীর ছেলে বাশারাত আলী, আজিজ গাজির ছেলে আব্দুল খালেক এবং আব্দুল ওহাবের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুনের নজর পড়ে ওই জমির উপর। ওই জমি দখলের জন্য সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ থেকে ইজারা নিয়েছে মর্মে তারা একটি ভূয়া কাগজ তৈরী করে। ওই কাগজ বুনিয়াদে জমির দখল পাওয়ার জন্য তারা জেলা পরিষদে একটি আবেদন করে। জেলা পরিষদে এক শালিশী বৈঠকে উভয়ের কাগজপত্র যাচাই বাছাইকালে প্রতিপক্ষ জালাল উদ্দিন গংদের কাগজ ভূয়া বলে প্রমানিত হয়। এঘটনার পর তারা জেলা প্রশাসকের কাছে আরো একটি দরখাস্ত দিলে সেখানেও তাদের কাগজ জাল প্রমানিত হয়। এঘটনার পর চক্রান্তকারিদের হাত থেকে সম্পত্তি রক্ষা করতে আদালতে মামলা করলে কাগজপত্র যাচাইবাছাই করে আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, মামলার রায় আমাদের পক্ষে যাওয়ায় প্রতিপক্ষ জালাল উদ্দিন গংরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। কোন ভাবেই সম্পত্তি দখল করতে না পেরে তারা আমাদের নামে মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করে। একই সাথে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে আমাদেরকে বনদস্যু সাজিয়ে তারা মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।
তিনি বলেন, ওই সম্পত্তি কখনোই জেলা পরিষদের ছিল না। অবৈধভাবে দখল করার জন্য তারা ওই সম্পত্তি জেলা পরিষদের মর্মে দাবি করে আসছে। যা সম্পূর্ন মিথ্যে। তিনিসহ সম্পত্তির মালিকগণ উক্ত জালিয়াতি চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।