সাতক্ষীরায় ট্রুরিজম শিল্পের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক আলোচনা সভা


463 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় ট্রুরিজম শিল্পের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক আলোচনা সভা
মে ১০, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

নাজমুল আলম মুন্না :
সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে এবং আইএলও এবং কানাডার সহযোগীতায় মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ মোদাচ্ছের আলীর  সভাপতিত্বে ট্যুর গাইড কোর্সের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
News Pic-10.05.16
এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার (ডিডিএলজি) এ,এন,এম, মঈনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির আসন গ্রহন করেন আইএলও বি-সেফ প্রোজেক্ট এর চিফ টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজার চেজার ড্রাগুতান,  আইএলও বি-সেফ প্রোজেক্ট এর প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন বরসা ট্যুরিজম এন্ড রিসোর্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এ,কে,এম, আনিছুর রহমান, আতরজান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সাতক্ষীরা পলিটেকনিক কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা সাতক্ষীরায় ট্যুর গাইড কোর্সের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন সাতক্ষীরায় ট্যুরজম শিল্পের বিকাশের জন্য এই ট্যুর গাইড প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়েছে। এই কোর্সটি চালু হয়েছে বিগত ২ ফেব্রুয়ারী। এটি প্রথম পর্যায়ের কর্মসূচী পরবর্তীতে আরও বৃদ্ধি করা হবে। সাতক্ষীরা পর্যটকদের জন্য এক অপরুপ সৌন্দর্যের লিলাভুমী, যেখানে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এই বনকে ঘিরে রয়েছে অজশ্র নদ-নদী, পশুপাখির অভায়ারণ্য, রয়েছে নানা প্রকারের সরিসৃপসহ নানা ধরনের বৃক্ষ যেটা বিদেশী পর্যটকদের নানা ভাবে আকর্ষন করতে সক্ষম। কিন্তু এই এলাকায় এতসব অপরুেপ রুপান্বিত থাকা সত্বেও ছিলনা কোন প্রফেশনাল ট্যুর গাইড যারা বিদেশী পর্যটকদের ভ্রমনে সাহায্য করতে পারে। সেই অভিপ্রায় থেকে সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে ২০ সদস্যের একটি ট্যুর গাইর্ডিং দল। যেটা এখন থেকে যেকোন পর্যটকদের সাথে নিয়ে সুন্দরবণসহ দেশের বিভিন্ন আর্কষনীয় স্পটে ঘুরে আসতে পারে অনায়াসে। আমাদের দেশের পতœত্বাাত্তিক স্তপনাগুলোকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে, এজন্য জিও এবং এনজিওদের আন্তরিকতার সহিত সম্মিলিত সমন্বয় থাকতে হতে। বক্তারা বলেন শুধুমাত্র পুথিগত বিদ্যা মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবেনা ঐতিহ্যগত জ্ঞান অর্জন প্রয়োজন। এই ট্যুর গাইডিং কোর্সের সবচেয় বেশী গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সিরিয়াসনেস, টেকনোলজি, রুরাল এরিয়া ডেভেলপমেন্ট, ট্যুরিষ্টদের ডিমান্ড এবং আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারলেই দেশ উন্নত হবে। প্রধান অতিথি বলেন ট্যুরিজম বিষয়ে বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন কাজ করছে এবং শ্যামনগরে একটি ইকো-ট্যুরিজম স্পট তৈরি করেছে। ট্যুরিজম বা পর্যটন শিল্পটা আমাদের দেশে তেমন গুরুত্বারোপ করা হয়না। বিদেশী পর্যটকদের প্রাচীন ঐতিহ্য, নান্দনিক ভ্রমন স্থান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা দিতে হবে যাতে পর্যটকরা সহজেই বুঝতে সক্ষম হয়। প্রতœতাত্তিক স্থাপনাগুলোকে মর্যাদা দিতে হবে এবং এ গুলোকে বাচিয়ে রাখতে হবে। ট্যুরিজমকে ষ্টাবলিশ করতে এবং পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ট্যুরিজম অপারেটর প্রতিষ্ঠান বরসা ট্যুরজম এন্ড রিসোর্ট ও মোজাফ্ফর গার্ডেনকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন আমরা জেলা প্রশাসন হতে সার্বিক সহযোগীতা করবো যাতে আমাদের দেশের প্রবৃদ্ধি অর্জন হয় এজন্য ট্যুর গাইড অপারেটরদের আগ্রহ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে   ট্যুর গাইড কোর্সের ২০জনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন, সাংবাদিক, স্কাউটস্  এবং শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।