সাতক্ষীরায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার দাবিতে গামের্ন্টস কর্মচারীর সংবাদ সম্মেলন


291 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার দাবিতে  গামের্ন্টস কর্মচারীর সংবাদ সম্মেলন
সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৫ কালিগঞ্জ ফটো গ্যালারি
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরায় পাওনা টাকা আদায়ের লক্ষ্যে আদালতে মামলা করায় আসামীরা বাদী গার্মেন্টস কর্মচারীর চার বছরের শিশু ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে বাড়িতে কাফানের কাপড় পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন কালিগঞ্জ উপজেলার গান্ধুলিয়া গ্রামের ডাঃ আশরাফ হোসেনের ছেলে গার্মেন্টস কর্মচারী মোঃ আব্দুল করিম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল করিম বলেন, বন্ধুত্যের সুযোগে স্ত্রীর চাকুরীর কথা বলে কালিগঞ্জ উপজেলার গবিন্দপুর গ্রামের মোন্তেজ গাজীর ছেলে আমিনুর রহমান ২০১১ সালের ১১ জুন তারিখে হ্যান্ড নোটের মাধ্যমে তার কাছ থেকে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা ধার নেয়। পরে ২০১২ সালের ২০ মে পর্যন্ত মাত্র ৪০ হাজার টাকা শোধ দেয়। বাকী এক লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধে সে গড়িমশি শুরু করে দেয়। এক পর্যায় ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ আমিনুর তার টাকা দিবে না বলে জানিয়ে দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ২৩ এপ্রিল আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি আমিনুরকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। ২৮ এপ্রিল লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পর আমিনুর ও তার সহযোগি শফিকুল, শোকর আলী মোড়ল, নজির উদ্দিন, সুফিয়া বেগম ও মোমেনা বেগম পরষ্পর যোগসাজসে তার নিজের ও পিতার স্বাক্ষর জাল করে একটি জাল অঙ্গীকারানামা সৃষ্টি করে চার লাখ টাকার দাবিতে ৫ মে উল্টে তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। এঘটনার পর গত ১৭ মে তিনি নিজে বাদী হয়ে পাওনা টাকার দাবিতে উল্লেখিত আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এঘটনায় আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নেয়ার জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এক পর্যায় আসামীরা ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দ্বারা বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে থাকা তার একমাত্র ছেলে মুজাহিদ (৪) ও বৃদ্ধ বাবা ডাঃ আশরাফ হোসেনকে হত্যার হুমকি দিয়ে গত ৬ জুলাই ও ২৯ আগষ্ট দুই দফায় বাড়িতে কাফানের কাপড় পাঠিয়ে দেয়। গার্মেন্টসে চাকুরীর সুবাদে স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করায় আসামীদের হত্যার হুমকিতে গ্রামের বাড়িতে থাকা বাবা-মা ও ছেলের জীবন নিয়ে তিনি শংকিত হয়ে পড়েছেন। তিনি নিজেও বাড়িতে যেতে পারছেন না। ফলে আসামীদের ভয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা  বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তিনি আসামী আমিনুর ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পাওনা টাকা ফেরত ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।