সাতক্ষীরায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও । পানি নিস্কাশনের দাবি


414 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও । পানি নিস্কাশনের দাবি
আগস্ট ১, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরায় ‘পানি সরাও জীবন বাঁচাও’ এই দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করেছে পানিবন্দি শত শত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করে অবিলম্বে পানি নিস্কাশনের দাবি জানান।
জানাগেছে, সাতক্ষীরা জেলা শহরের ইটাগাছা কামালনগর, খড়িবিলা, রইচপুর, দৌলতপুরসহ সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকার কয়েকশত লোক স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুলের নেতৃত্বে পানি নিস্কাশনের দাবিতে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডিও এস এম আহসান হাবিব ও এসও নুরুজ্জামান সাধারণ মানুষের দাবির কথা শোনেন এবং আগামী ২/১ দিনের মধ্যেই পানি নিস্কাশনের জন্য যেসব কাজ করা দরকার তা করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।
তারা বলেন, সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অদূরদর্শিতার কারণে আজকে সাতক্ষীরার সদর উপজেলা সহ তালা, কলারোয়া,আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। ভেসেগেছে অসংখ্য মৎস্য ঘের ও পুকুর। তলিয়ে গেছে কয়েক লক্ষ একর জমির ধান ও বীজতলা। বার বার সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে শুকনা মৌসুমে পানি নিস্কাশনের খালগুলো ও বিভিন্ন এলাকার স্লুইস গেটের মুখে জমে থাকা পলি অপসারণ করে পানি নিস্কাশনের দাবি জানালেও তারা তা করেনি। তারা স্থানীয় পানিনন্দি মানুষের কথা কর্ণপাত না করায় আজকে জলাবদ্ধতার এই ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের বাড়ি ঘরে পানি উঠেগেছে। অনেকেই বাড়ি ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছে।
ঘেরাও কর্মসূচী চলাকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা ভূমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্পাদক আব্দুর রশিদ, জেলা ভূমিহীন সমিতির আমজাদ হোসেন, আকছেদ সরদার, আবুল কাসেম, আমির আলী, আকবার আলী প্রমুখ। এর আগে সকাল ৬টা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন কালুর নেতৃত্বে খড়িবিলা ইটাগাছা রইচপুর এলাকার পানি নিস্কাশনের জন্য বিভিন্ন খালের অবৈধ বেড়ীবাধ নেটপাটা অপসারণ করা হয়।