সাতক্ষীরায় পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস সংরক্ষণ বিষয়ক সংলাপ


299 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস সংরক্ষণ বিষয়ক সংলাপ
নভেম্বর ২১, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরায় নিরাপদ খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং কুড়িয়ে পাওয়া পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস সংরক্ষণ বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের ডিজিটাল কর্নারে ‘আগাছা বলে কিছু নেই- হয় সেটা ঔষধি, না হয় খাদ্যের বনজ উৎস’ গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এই সংলাপের আয়োজন করে।

সংলাপে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে মাল্টিমিডিয়ায় তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শাহীন ইসলাম।

সাংবাদিক শেখ তানজির আহমেদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল।

সংলাপে অংশ নেন- সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষাণী ফরিদা পারভীন, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষাণী অল্পনা রানী, কৃষক বাবর আলী, সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান, তুজলপুর সিআইজি কৃষক ক্লাবের সভাপতি ইয়ারব হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ প্রোগ্রামের সেন্ট্রাল ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. সুব্রত ঘোষ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসান রেজা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রঘুজিৎ গুহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরায় চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন হয়। এ জেলায় প্রতিবছর ২ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্বৃত্ত থাকে। তারপরও অপুষ্টির হার খুব বেশি। এক্ষেত্রে কুড়িয়ে পাওয়া হেলেঞ্চা, কলমি, শাপলা, গিমে, থানকুনি, আদাবরুণ, বউটুনি, গাদোমনি, কালো বনকচু, ঘেটকোল, আমরুলসহ পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎসগুলো সংরক্ষণের মাধ্যমে যেমন অপুষ্টি দূর করা যায়, তেমনি নারীর ক্ষমতায়ন ও গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব। সাথে সাথে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের লক্ষ্যে ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক সারমুক্ত সবজি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

বক্তারা বলেন, দেশীয় ও প্রাকৃতিক এসব খাদ্য সামগ্রী সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের বিষয়টি উদ্ভাবনী চিন্তা হিসেবে বর্তমান সরকারের উদ্ভাবনী সার্কেলে আলোচনা হতে পারে। যা জেলার সর্বত্র অপুষ্টি দূরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন ও গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।