সাতক্ষীরায় প্রতিপক্ষের হয়রানি থেকে নিস্কৃতি পেতে সাবেক সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন


846 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় প্রতিপক্ষের হয়রানি থেকে নিস্কৃতি পেতে সাবেক সেনা সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
এপ্রিল ১৬, ২০১৭ ফটো গ্যালারি শ্যামনগর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার ::
সাতক্ষীরায় বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এক সাবেক সেনা সদস্যের বসতবাড়ি ও চিংড়ি ঘের দখলের পায়তারা চালাছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন জেলার শ্যামনগর উপজেলার ছোটকুপুট গ্রামের মৃত আয়নুদ্দিন গাজীর ছেলে সাবেক সেনা সদস্য মোঃ সোহরাব হোসেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শ্যামনগর উপজেলার অটুলিয়া মৌজার ৫৪৫, ১৮১নং খতিয়ানে ২৮ বিঘা জমিতে তাদের পাকা ঘর-বাড়ি, বসতভিটা, পুকুর ও মৎস্য ঘের রয়েছে। তিনিসহ তার ভাইয়েরা দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে বৈধভাবে এই সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছেন।

কিন্তু দক্ষিন-পশ্চিম আটুলিয়া গ্রামের অনুকুলের ছেলে হারান মন্ডল এবং হারান মন্ডলের ছেলে রামপদ ও হরিদাস শ্যামনগর উপজেলা সদরের ইউপি সদস্য শক্তি শেখরের উস্কানিতে বিভিন্ন মিথ্যে অজুহাতে প্রতিবছর তাদের এই মৎস্য ঘেরটি দখলের চেষ্টা করে।

বিশেষ করে যখন ঘেরে মাছ ধরার সময় হয় তখন উল্লেখিতরা আমাকে জামায়াত আখ্যায়িত করে নিজেদের বাড়ি ঘরে অগুন লাগিয়ে ও ভাংচুর করাসহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের কল্পিত অভিযোগ তুলে ঘেরে উঠার চেষ্টা করে।

স্থানীয় যুবলীগ নেতাদের সহযোগিতায় আমি সংখ্যালঘুদের ঘের দখল ও মাছ লুট করেছি এমন অভিযোগও করেছে তারা। যাহা সম্পূর্ন মিথ্যে, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

তিনি বলেন, বৈধ কাগজ পত্রের মাধ্যমে আমরা উক্ত জমি ভোগ দখলে থাকায় এবং হারান. রামপদ ও হরিদাস প্রদিবেশী হওয়ায় তাদের গাত্রদাহ সৃস্টি হয়েছে। তারা ওই জমি দখলে নিতে ২০১৬ সালের ১৮ আগষ্ট মধ্য রাতে হারান গংরা ২০/২৫ জন লোকসহ দা, রড, হাতুড়ি, শাবল, কুড়াল ইত্যাদি নিয়ে অর্তকিতে আমাদের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ির সদস্যদেরকে বেদম মারিপট করে।

এতে আমার মা, বোন, ভাই সবুর ও তার স্ত্রী  মারাত্মক জখম হয়। এসময় তারা বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। খবর পেয়ে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে তার দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এঘটনার পর শ্যামনগর থানার তৎকালিন ওসি এনামুল হক দুই পক্ষকে ডেকে বসাবসি করলে হারান গংরা জমির কোন কাগজপত্র দেখাতে ব্যার্থ হয়। এসময় আমাদের কাগজপত্র বৈধ থাকায় করলাকুত সম্পত্তি ও ঘের আমরা বুঝে পাই।

কিন্তু এর পরও হারান গংরা পত্রিকায় ভুল তথ্য দিয়ে একের পর এক আমাদের হয়রানি করে চলেছে।তারা হত্যা গুমসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করার হুমকি দিচ্ছে।

তিনি হারান গংদের মিথ্যা হয়রানি থেকে নিস্কৃতি পেয়ে যাতে নিজেদের বসব ভিটায় শান্তিপূর্নভাবে বসবাসের পাশাপাশি মৎস্য ঘের করতে পারেন তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
##