সাতক্ষীরায় প্রথম নিউরোসার্জন হিসাবে নাম লিখালেন ডা: হাসানুজ্জামান


542 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় প্রথম নিউরোসার্জন হিসাবে নাম লিখালেন ডা: হাসানুজ্জামান
অক্টোবর ২৪, ২০২১ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

সাতক্ষীরায় প্রথম নিউরো সার্জন হিসাবে নাম লিখালেন ডা: মো: হাসানুজ্জামান। সাতক্ষীর তথা দক্ষিন অঞ্চলের অতি পরিচিত, দক্ষ, কর্তব্য পরায়ন সার্জারি সার্জন হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। শুধু তাই নয় রোগীর প্রতি আন্তরিক ভালবাসার হাসি নিয়ে রোগের সমস্যার কথা শোনার সীকৃতি অর্জন করেছে। ডা: হাসানুজ্জামান সার্জারি বিষয়ে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হয় ইতিমধ্যে জেলার সীমানা পেরিয়ে খুলনা যশোর সহ পাশ্ববর্তী জেলা তার সেবার বিস্তৃতি ঘটেছে। সার্জারির কোন সমস্যা হলেই ঐ সকল এলাকার রোগীরা সঠিক চিকিৎসার জন্য ছুটে আসেন ডাঃ হাসানুজ্জামানের কাছে। সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান ডা: হাসানুজ্জামান ১৯৭৭ সালে সদর উপজেলার ধুলিহর কোমরপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মরহুম কফিল উদ্দিন রত্ম গর্ভা মাতার ৬ পুত্র ২ কন্যা মধ্যে ছোট সন্তান ডা: হাসানুজ্জামান। তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি কনসালটেন্ট হিসাবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি নিউরোসার্জন বিভাগকে নিয়ন্ত্রন করেন। সাতক্ষীরার কৃতি সন্তানেরা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডিগ্রী অর্জন করল নিউরো সার্জন বিভাগে প্রথম নাম লেখালেন ডা: হাসানুজ্জামান। ডা: হাসানুজ্জামান ছাত্র জীবনে অত্যন্ত মেধাবীর পরিচয় দেখিয়েছেন। কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পঞ্চম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করেন। ১৯৯৩ সালে বুধহাটা বিপিএম হাইস্কুল থেকে স্টারমার্ক সহ প্রথম শ্রেনীতে উত্তীর্ন হন। ১৯৯৫ সালে সাতক্ষীরা সরকারী কলেজ থেকে আবারও প্রথম শ্রেনীতে উত্তীর্ন হন। পরবর্তীতে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হতে সার্জারি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ নাম্বারে এমবিবিএস পাশ করেন। ডা: হাসানুজ্জামান ২৫তম বিসিএস স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসাবে সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেন। প্রথম কর্মস্থল দেবহাটা সখিপুর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার। পরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে নিউরো সার্জারি সহ দুটি পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী ডা: মোকারমা ফেরদৌস মুক্তা যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বায়োকেমিস্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসাবে কর্মরত আছেন। এক পুত্র এক কন্যা সন্তানের জনক ডা: হাসানুজ্জামান বলেন শেখার কোন শেষ নাই। প্রতিনিয়ত ভালো কিছু করার চেষ্টা করছি। রোগীদের সঠিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য সর্বোত্তম চেষ্টা করে যাবো। দুঃস্থ অসহায় রোগীদের প্রতিসুদৃষ্টি থাকবে। মানুষের সেবায় কাজ করতে চাই? জেলাবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।