সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পয়লা জুন


1642 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পয়লা জুন
মে ৩০, ২০১৮ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email
  • ৪৭টি পদের বিপরীতে অংশ নিচ্ছে ২৩ হাজার ৮৭ জন

 

স্টাফ রিপোর্টার ::
সাতক্ষীরায় নামকাওয়াস্তে নেয়া হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। আগামি ১ জুন সকাল ১০টা হতে সকাল ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত জেলাব্যাপি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের লিখিত পরীক্ষায় জেলায় ৪৭টি পদের বিপরীতে অংশ নিচ্ছে ২৩ হাজার ৮৭ জন। অর্থাৎ প্রতি ৪৯১ জনে একজন শিক্ষক নিয়োগ পাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে শুধু সাতক্ষীরা সদর ও আশাশুনিতে ১৫জন করে ৩০জন শিক্ষকের পদশূণ্য রয়েছে। এছাড়া বাকি ১৭টি পদে প্যানেলভুক্ত ও পুলভুক্ত শিক্ষক যোগদান করবে। সেই হিসেবে প্রতি ৭৬৯ জনে একজন করে নিয়োগ পাবে বলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে।
নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা নেয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন। পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, ক্যালকুলেটার নিষিদ্ধের পাশাপাশি দেহ তল্লাসী করে প্রবেশ করানো হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রাখা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবারই প্রথম কক্ষ অনুযায়ী সিলমোহরকৃত প্রশ্ন সরবারাহ করা হবে। প্রতি কেন্দ্রে কয়েক দফায় মিটিং করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিবরা জানান, পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানান,এবারজেলায় ২৯টি কেন্দ্রের অধীনে ২৩ হাজার ৮৭ জন পরীক্ষার্থী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
এরমধ্যে কেন্দ্র সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ (কলা ভবন) রোল নং ০১ হতে ১৫০০ রোল পর্যন্ত। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ (বিজ্ঞান ভবন) রোল নং ১৫০১ হতে ৩০০০ রোল পর্যন্ত ১৫০০ জন। সাতক্ষীরা পল্লীমঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজ ৩০০১ হতে ৪০০০ পর্যন্ত ১০০০ জন। সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ৪০০১ হতে ৫০০০ রোল পর্যন্ত ১০০০ জন। আব্দুল করিম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ৫০০১ হতে ৩০০০ রোল পর্যন্ত ১৫০০ জন ৫৫০০ পর্যন্ত ৫০০ জন। সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজ ৫৫০১ হতে ৭০০০ পর্যন্ত ১৫০০ জন। সাতক্ষীরা নবারুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭০০১ হতে ৭৭০০ পর্যন্ত ৭০০ জন। সাতক্ষীরা পিএন স্কুল এন্ড কলেজ ৭৭০১ হতে ৮৪০০ পর্যন্ত ৭০০ জন। সাতক্ষীরা ডে নাইট কলেজ ৮৪০১ হতে ৯৪০০ পর্যন্ত ১০০০ জন। পিটিআই, সাতক্ষীরা ৯৪০১ হতে ৯৯০০ পর্যন্ত ৫০০ জন। কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯৯০১ হতে ১০৮০০ পর্যন্ত ৯০০ জন। সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ১০৮০১ হতে ১১৯০০ পর্যন্ত ১১০০ জন। সাতক্ষীরা টাউন গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১১৯০১ হতে ১২৫০০ পর্যন্ত ৬০০ জন। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১২৫০১ হতে ১৩৫০০ পর্যন্ত ১০০০ জন। সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ১৩৫০১ হতে ১৩৯০০ পর্যন্ত ৪০০ জন। তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৩৯০১ হতে ১৪৭০০ পর্যন্ত ৮০০ জন। দ্যা পোলস্টার পৌর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৪৭০১ হতে ১৫২০০ পর্যন্ত ৫০০ জন। পিএন বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল ১৫২০১ হতে ১৫৬০০ পর্যন্ত ৪০০ জন। রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৫৬০১ হতে ১৬৩০০ পর্যন্ত ৭০০ জন। সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৬৩০১ হতে ১৬৯০০ পর্যন্ত ৬০০ জন। সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ১৬৯০১ হতে ১৮২০০ পর্যন্ত ১৩০০ জন। সাতক্ষীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ১৮২০১ হতে ১৮৭০০ পর্যন্ত ৫০০ জন। পলাশপোল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮৭০১ হতে ১৯৪০০ পর্যন্ত ৭০০ জন। সাতক্ষীরা আয়েনউদ্দীন মহিলা আলিম মাদ্রাসা ১৯৪০১ হতে ১৯৮০০ পর্যন্ত ৪০০ জন। ছফুরননেছা মহিলা কলেজ ১৯৮০১ হতে ২০২০০ পর্যন্ত ৪০০ জন। বাঁকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০২০১ হতে ২০৬০০ পর্যন্ত ৪০০ জন। আলীপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০৬০১ হতে ২১৪০০ পর্যন্ত ৮০০ জন। মাহমুদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২১৪০১ হতে হতে ২২১০০ পর্যন্ত ৭০০ জন এবং সীমান্ত আদর্শ কলেজ, সাতক্ষীরা ২২১০১ হতে ২৩০৮৭ পর্যন্ত ৯৮৭ জন।
সূত্র জানায়, কোটা মেনে এবারও সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হবে। এরমধ্যে নারী কোটা ৬০ শতাংশ, পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ এবং পুরুষ কোটা ২০ শতাংশ। এসব কোটার মধ্যেও মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটা রয়েছে। ২০১৪ সালে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতার কারণে তা অনিুষ্ঠিত হচ্ছে প্রায় ৫ বছর পর।