সাতক্ষীরায় বসতবাড়ি এবং বাসন্তি মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


134 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় বসতবাড়ি এবং বাসন্তি মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ডিসেম্বর ৭, ২০২২ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

তালার কুমিরায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি এবং বাসন্তি মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, পাটকেলঘাটা থানার কুমিরাপূর্বপাড়া গ্রামের মৃত সুনিল কুমার দে’র পুত্র গৌতম কুমার দে। লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, কুমিরা মৌজায় ১০২২ খতিয়ানে ৪১১৭, ৪১২১, ৪১১৯, ৪১৩৭, দাগে ৫.৭০ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলাম। উক্ত সম্পত্তিতে একটি পুরাতন বাসন্তি মন্দির রয়েছে। সম্প্রতি একই এলাকার মৃত জামাল উদ্দিন সরদারের পুত্র রেজাউল সরদার ও নজরুল সরদার গং উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে। উক্ত সম্পত্তিতে বসত ভিটা এবং মন্দির থাকায় কালিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন ট্রাই: ৮১৬/২০১২ নং মামলায় গত ইং ০২ অক্টোবর ২২ তারিখের ডিক্রির কার্যকারিতা স্থগিত করে গত ২৩ নভেম্বর ২২ তারিখে আদেশ দেন অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পন আপীল ট্রাইব্যুনালের বিচারক। সে আদেশ উপেক্ষা করে গত ০২ ডিসেম্বর ২২ তারিখে বেলা ১১টার দিকে রেজাউল সরদারের নেতৃত্বে তার ভাই নজরুল সরদার, আনিছুর সরদার, হাফিজুর সরদার, নজরুল সরদারের পুত্র সুমন সরদার, মৃত সৈয়দ মোড়লের পুত্র জামাল মোড়ল, মৃত জামালের দুই স্ত্রী মোমেনা এবং রাশিদা বেগমসহ কতিপয় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে। বসতবাড়ি ভাংচুর করতে থাকে এক পর্যায়ে সেখানে থাকা বাসন্তি মন্দির ভাংচুর করে। এতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা আমার কাকাতো ভাই কার্ত্তিক দে এবং মাতা কল্পনা দে কে মারপিট করতে থাকে। তাদের উদ্ধার করতে গেলে আমার স্ত্রী রিতা দে এবং বৌদি সুনিতা দে কেও মারপিট করে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে পাটকেলঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করি। মামলায় পুলিশ দুই আসামীকে গ্রেফতার করে। দুই আসামী গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে মামলা তুলে নিতে অন্যান্য আসামীরা আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে যাচ্ছেন। এমনকি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে পত্রপত্রিকায় একটি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে আসামীরা। অথচ পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আদালতের নির্দেশ অমান্যকারী আসামীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

#