সাতক্ষীরায় বাড়ি ফিরেই মাঠে নামলেন মাছুরা, জেতালেন দলকে


275 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় বাড়ি ফিরেই মাঠে নামলেন মাছুরা, জেতালেন দলকে
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ খেলা ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

সাতক্ষীরায় নিজ বাড়িতে ফিরেছেন সাফ জয়ী ফুটবল দলের ডিফেন্ডার মাছুরা পারভীন। বাড়ি ফিরেই বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে মাঠে নামেন শ্যামনগর নকিপুর বিদ্যালয় মাঠে। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে জেতালেন দলকে।

মাঠে মাছুরাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আখতার হোসেন ও থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ। এ সময় মাঠের চারপাশে ছিলেন হাজার হাজার দর্শক।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার বলেন, মাছুরা দলের হয়ে দেশের জন্য সুনাম বয়ে এনেছে। সাতক্ষীরার মানুষকে গর্বিত করেছে। শ্যামনগরবাসীর পক্ষ থেকে মাছুরাকে শুভেচ্ছা।

শ্যামনগর ফুটবল একাডেমী ও খুলনা ফুটবল একাডেমীর মধ্যকার প্রীতি এ ফুটবল ম্যাচে মাছুরার দল শ্যামনগর ফুটবল একাডেমী ৩-১ গোলে জয়লাভ করে।

খেলার আয়োজক জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলের খেলোয়াড় আলমগীর কবির রানা জানান, উপকূলীয় এ অঞ্চলের এই প্রথম নারী ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলো। অবহেলিত এ অঞ্চলে যেন ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলায় আকৃষ্ট হয় এজন্য ম্যাচটির আয়োজন করা হয়েছে। হাজার হাজার দর্শক খেলাটি উপভোগ করেছে।

এদিকে, সাফজয়ী মাছুরা পারভিন ২০ দিনের ছুটিতে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে সাতক্ষীরা বিনেরপোতা এলাকায় নিজ বাড়িতে এসেছেন। ইতোমধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে সাফজয়ী মাছুরার বাড়িতে। কেউ ছবি তুলছে মাছুরার সঙ্গে আবার কেউ ফুলেল শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করছেন। সব মিলিয়ে ভক্তদের সঙ্গে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই সাফজয়ী ফুটবলার।

আগামী রোববার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন মাছুরাকে সংবর্ধনা দেবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মাছুরাকে সংবর্ধনা দেওয়ার নানান প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। মাছুরার সঙ্গে আলোচনা করে সময় নির্ধারণ করে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মাছুরা পারভিন জানান, সাফ জয়ের পরে এই প্রথম বাড়িতে এসেছি। অনুভূতিটা প্রকাশ করার মতো নয়। বাবা-মার কাছে আসার ইচ্ছা থাকলেও ঠিকঠাক আসার সুযোগ হয় না। এত বড় একটা জয়ের পর এবার গ্রামে আসার অনুভূতিটা কাউকে বোঝানো সম্ভব নয়।