সাতক্ষীরায় বিজিবি’র পৃথক অভিযানে সাড়ে তিন কোটি টাকা মুল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিচ ও চূনাপাথর আটক


525 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় বিজিবি’র পৃথক অভিযানে সাড়ে তিন কোটি টাকা মুল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিচ ও চূনাপাথর আটক
জানুয়ারি ১৮, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

কাজী জাহিদ আহম্মেদ :
বিজিবি’র পৃথক অভিযানে সাড়ে তিন কোটি টাকা মূলের ভারতীয় থ্রি-পিস, শাড়ি ও চুনাপাথর আটক করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোর চারটা ও বিকেল ৫টার দিকে যথাক্রমে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মুরারিকাটি ও সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়া ময়দার মিল নামকস্থান থেকে এসব মালামাল আটক করা হয়।

বিজিবি’র সাতক্ষীরা ৩৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্নেল মোঃ আরমান হোসেন পিএসসি জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে হাবিলদার বারেকের নেতৃত্বে সোমবার ভোর চারটার দিকে বিজিবি’র একটি টহল দল কলারোয়া উপজেলার মুরারিকাটি গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় মুরারীকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাক্ াথেকে চোরাচালানের মালামাল বহনকারী দু’টি নাম্বার প্লেট লাগানো একটি পণ্যভর্তি ট্রাক আটক করে। নাম্বার প্লেটের একটিতে লেখা ছিল যশোর-ট- ১১-৩২০৭ ও অপরটিতে লেখা ছিল খুলনা মেট্রো -ট- ১৪-৪২৭৩। তবে আটকের আগেই চলিক ও হেলপার ট্রাক ফেলে পালিয়ে যায়। পরে  ওই ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে  বিপুল পরিমান ভারতীয় থ্রি-পিস, শাড়ি ও চুনাপাথর জব্দ করে। আটককৃত পণ্যের মূল্য আনুানিক দু’ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এদিকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিষ্ণুপদ পাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল  বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার ময়দার মিল নামক স্থানে আল কোরাইশি’র মালিকানাধীন আমদানিকারক শেখ শফিউল¬া ওরফে মনির ভাড়াটিয়া গুদামে অভিযান চালায়। এ সময় কাগজপত্র ও আমদানিকারকের বক্তব্যে মালামালের বৈধতা সঠিক বলে প্রমাণিত না হওয়ায় ওই গুদামে রাখা ৯৪ বস্তাভর্তি চার হাজারের বেশি ত্রি-পিচ আটক করা হয়।  যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০ লাখ টাকা।
আটককৃত মাল বিজিবি’র মাধ্যমে কাস্টমসে জমা দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, শেখ শফিউল্লাহ গত বছরের ১০ মে তারিখে বেনাপোল বন্দর  দিয়ে আমদানিকৃত একটি কাগজ দেখিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে ওই সময় যে ত্রি-পিচ আনা হয় তার ন্যয্য দাম না পাওয়ায় এতদিনে বাজারজাত করতে পারেননি। তবে প্রতিটি বস্তায় ৪০ পিচ ত্রি-পিচ আছে দাবি করলেও কয়েকটি বস্তা খুলে তাতে ৫০ টি করে পাওয়া যায়। এটাই প্রমাণ করে যে এসব ভারতীয় মাল অবৈধ।
তবে স্থানীয়রা জানান, মনির গুদামে কখনো দিনের বেলায় মাল ঢোকানো হয় না। মাঝ রাতের পর থেকে তার গুদামে মালামাল ঢোকানো হয়। তবে গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানান, সোমবার ভোরে কলারোয়ার মুরারীকাটিতে আটককৃত ত্রি-পিচের সঙ্গে মনির গুদামে আটকৃকত ত্রি-পিচের সাদৃশ্য রয়েছে। #