সাতক্ষীরায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত


529 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত
মে ৯, ২০১৬ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

এস এম সেলিম হোসেন :
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতি  সন্ধ্যা  অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসন, জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে ২৫ বৈশাখ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ রবীন্দ্রণাথের এ জন্মজয়ন্তী উদযাপিত হয়। জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ এফ এম এহতেশামুল হক, সদর  উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ আব্দুল সাদী। অনুষ্ঠানের  শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক এ এন এম মঈনুল ইসলাম। রবীন্দ্র বিষয়ক আলোচনা করেন অধ্যপক আব্দুল হামিদ। নেজারত ডেপুটি কালেক্টর মোঃ মোশারেফ হোসেন এর ব্যবস্থাপনায় এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক গাজী আজিজুর রহমান, মনিরুজ্জামান ছট্ট, সৈয়দ একতেদার আলী, আবু আফ্ফান রোজ বাবু, মনজুরুল হক, হেনরী সরদার। অনুষ্ঠার সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, শামীমা পারভীন রতœা। অনুষ্ঠানে “হে নূতন, দেখ দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ” সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পিরা।  এছাড়াও একক আবৃতি কবিতা সোনার তরী, কৃষ্ণকলি ও বাঁশী কবিতা পরিবেশিত হয়। একক রবীন্দ্র সংগীতের মধ্যে হরে রে রে আমায় ছেড়ে দেরে রে, ওরে গৃহবাসী, খোর দ্বার খোল, মায়াবনবিহারিনী হরিনী গহনস্বপন সঞ্চারিনী, আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, এসো এসো আমার ঘরে এসো, ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে, তুমি কেবলই ছবি, ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু, আমি চিনি গো চিনি তোমার ইত্যাদি রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশিত হয়। এছাড়াও দলীয় নৃত্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাতের জীবনের উপর সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বাঙ্গালী জাতির অহংকার। তিনি এশিয়ায় বাঙ্গালীদের মধ্যে সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। আমাদের দেশের জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত। তিনি একমাত্র কবি যিনি ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে আদর্শ ধারন করে গেছেন তা আমাদের অনুসরন  করা উচিত।