সাতক্ষীরায় মাঠ পর্যায়ে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল প্রযুক্তি পৌছানোর জন্য এ্যাডভোকেসি মিটিং


162 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় মাঠ পর্যায়ে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল প্রযুক্তি পৌছানোর জন্য এ্যাডভোকেসি মিটিং
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

॥ শাহিদুর রহমান ॥

সোমবার অগ্রগতি সংস্থার আয়োজনে অগ্রগতি সংস্থার ট্রেনিং সেন্টারে মাঠ পর্যায়ে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল প্রযুক্তি পৌছানোর জন্য টেকনিক্যাল এক্সপার্ট, ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে এ্যাডভোকেসি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। অগ্রগতি সংস্থার অনলাইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ প্রকল্পের আওতায় এইএ্যাডভোকেসি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়।

উক্ত মিটিংয়ে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টোগো কোম্পানির সিও শেখ শরীফ হাসান, এডিটর মোঃ জাহিদুর রহমান, কম্পিউটার এক্সপার্ট ও ইন্টারনেট সেবাপ্রদাণকারী হিসেবে মোঃ আবুল হোসেন, নাসির হোসেন, মাহমুদুর রহমান, আতিকুর রহমান, শাহরিয়ার হোসেন, ইফতেকার আলমসহ আরও অনেকে। মিটিংয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে যুব প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিল।

এসময় সম্মানিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ইন্টারনেট দুনিয়ায় শিশুদের নিরাপদ থাকার জন্য সরকার প্যারেন্টাল কন্ট্রোল গাইড লাইন তৈরি ও মেনে চলার নির্দেশনা দিলেও এখনও তা সর্বস্তরে চালু হয়নি। দেশে ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কয়েকটি এই সেবা চালু করলেও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো এখনও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। কবে নাগাদ চালু করবে এমন তথ্যও জানা যায়নি।

গত বছর দেশের একটি আইএসপি প্রতিষ্ঠান বিডিকম অনলাইন প্যারেন্টাল কন্ট্রোল প্রযুক্তি চালু করে। যদিও সরকার পরে এটি মেনে চলার ঘোষণা দেয় এবং গাইডলাইন তৈরি করে। এরই মধ্যে আম্বার আইটি, অগ্নি সিস্টেমস, অপটিম্যাক্স কমিউনিকেশন লিমিটেডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই সেবা চালু করেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল অপারেটর নিজের ইচ্ছেতে এটা চালু করতে চায় না। কে চায় তার ব্যবসায় লাভ কমে যায়। মূলত সরকারের নির্দেশনা দানের পরে আইএসপিগুলো প্যারেন্টাল কন্ট্রোল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। অভিভাবকরা চাইলে আইএসপিগুলো প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সেবা দিচ্ছে।

কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই প্যাকেজ অফার করছে। মূলত বাবা-মায়েদের সচেতনতার অভাবেই প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সেবাটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ইন্টারনেট ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা। প্রচার-প্রচারণার অভাবকেও দুষছেন কেউ কেউ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমই শুধু নিরাপত্তা ঝুঁকি নয়, আমার চারপাশের সবকিছু- মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসে যখন আমি কাজ করছি তখন এটাও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে, পেমেন্ট সিস্টেমও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। ব্যাংকের টাকাও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

এমনকি ওয়েবসাইটও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। এই যে সামগ্রিকভাবে ঝুঁকিটা বাড়ছে, এই ঝুঁকিটা কমানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে সচেতনতা। এই সচেতনতার জায়গাটাকে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জন্য আমার এই প্যারেন্টাল গাইডেন্স।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন অত্র প্রজেক্টের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মাসুম বিল্লাহ সোহাগ।