সাতক্ষীরায় মৎস্যজীবী দল নেতা আমান হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির দাবি পরিবারের


295 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় মৎস্যজীবী দল নেতা আমান হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির দাবি পরিবারের
অক্টোবর ৬, ২০১৫ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার :
সাতক্ষীরা জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারন সম্পাদক আমান হত্যা মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানার অসামীরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও অজ্ঞাত কারনে পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে  সকল আসামী গ্রেফতার না হওয়ার কারনে মামলার বিচার কাজ বিলম্বিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মামলার বাদী পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার মৃত আজিজুর রহমানের স্ত্রী নিহত আমানের মাতা মোছাঃ ফতেমা খাতুন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফতেমা খাতুন বলেন, গত ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে বিএনপি’র এক কর্মী সম্মেলন চলাকালে কিছু উশৃঙ্খল সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে প্রকাশে দিবালকে তার ছেলে জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারন সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে হত্যা করে।

এঘটনায় তিনি নিজে বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। জিআর ৭১৭/১৩ নং মামলাটি চার্জশীট দাখিলের পর বর্তমানে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন আছে। মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামীদের অনেকেই বর্তমানে পলাতক রয়েছে। আদালত ওইসব আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার পরও তারা প্রকাশ্যে ঘোরা ফেরা করছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছে না। পলাতক আসামীদের মধ্যে মামলার ১ নং আসামী সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং হত্যার পরিকল্পনাকারি খুনি আনোয়ার হোসেন চান্দু প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে সকল আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় মামলাটির বিচার কার্য বিলম্বিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, মামলাটির বিচারের জন্য বর্তমানে ৩/৪ মাস পর পর দিন পড়ছে। আগামী ১৯ অক্টোবর এই হত্যা মামলার পরবর্তী দিন ধার্য আছে। বিধবা বৃদ্ধা ফতেমা খাতুন মৃত্যুর আগে তার ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে চান। এজন্য বিচার কাজ শেষ করার জন্য  আমান হত্যা মামলাটি জেলার চাঞ্চল্যকর মামলা হিসাবে তালিকাভুক্ত করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ দাবি করেন।