সাতক্ষীরায় শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার


100 বার দেখা হয়েছে
Print Friendly, PDF & Email
সাতক্ষীরায় শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার
জুন ৩, ২০১৯ ফটো গ্যালারি সাতক্ষীরা সদর
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্ট ::

বৃষ্টি বাধ সাধলেও ঈদ বাজারে কেনা-বেচায় ছন্দ পতন ঘটেনি। রবিবার সকাল থেকে জ্যৈষ্ঠের আকাশ থেকে গরম বাতাস শীতল করে নামতে থাকে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। সকালের দিকে খানিকটা ঈদ বাজারে এর প্রভাব থাকলেও দুপুরের দিকে ক্রেতাদের ঘরে আটকে রাখতে পারেনি বৈরি আবহাওয়া। প্রয়োজনের তাগিদেই ক্রেতারা বেরিয়ে পড়েন এক প্রকার কাকভেজা হয়ে। আজ দিয়ে ঈদের বাকি আর মাত্র দু’দিন। ধানের দাম কম থাকলেও ধার দেনা করে অনেকেই আসছেন ঈদ বাজারে। শহরের অভিজাত শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভীড়। ঈদে চাই নতুন পোশাক। প্রিয়জনের উপহার দিতে ধনী ও মধ্যবিত্তদের পাশাপাশি কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে নিম্নবিত্তরাও। সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেট, বাজার কলকাতা, আল বারাকা সিটি কমপ্লেক্স, বসুন্ধরা টাওয়ার, মেহেরুন প্লাজা, লন্ডন প্লাজা, মেহেদি সুপার মার্কেট, আমিনিয়া মার্কেট, সুলতানপুর বড় বাজার ও থানা সড়কের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতারা ঘুরছেন পছেন্দের পোশাক কিনতে।
এদিকে ঈদ উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে ভারতীয় পোশাকে ছেয়ে গেছে। তবে এসব মার্কেটে মানসম্মত দেশীয় পোশাক সামগ্রী থাকলেও ক্রেতাসাধারণের চাহিদা ভারতীয় পোশাকের প্রতি একটু বেশি। এবার ঈদে মেয়েদের জন্য আকর্ষণীয় পোশাকের মধ্যে রয়েছে বাহুবলি টু, রাখিবন্ধন, পটল কুমার, বাজরাঙ্গি ভাইজা, ফ্লোর টাচ, লাসা, লং স্কট, শর্ট স্কটসহ বিভিন্ন নামের থ্রি-পিস ও ফোর পিস পোশাক। তবে দেশি অনেক পোশাক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করেছে। টাঙ্গাইল শাড়ি, জামদানি, খদ্দর, মনীপুরী, রাজগুরু, বালু চুরি, জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় নিম্নবিত্তরা পড়েছেন বিপাকে। অবশ্য নিম্নবিত্তদের কথা চিন্তা করে ইতোমধ্যে থানা মসজিদের সামনে ফুটপাতে বেশ কয়েকটি পোশাকের দোকান দিয়েছে স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা। বড় বড় মার্কেটের মত এসব মার্কেটেও জমে উঠেছে বেচাকেনা। তাছাড়া জুতার দোকানেও ভিড়ের কমতি নেই, বেড়েছে কসমেটিকসের বেচা-কেনাও।
পোশাক ব্যবসায়ীরা বলেন, শূন্য থেকে সাত বছরের শিশুদের পোশাক বিক্রি করছেন তারা। ঈদের বাজারে শাড়ির প্রতি আকর্ষণ কম। তারপরও কিছু শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। তাদের দোকানে পাঞ্জাবি, শার্ট-প্যান্ট বিক্রি হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জনসাধারণের জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে সাতক্ষীরার পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে সাধারণ মানুষ ঈদের কেনাকাটা করে নির্বিঘ্নেবাড়িতে ফিরতে পারে সে জন্য জেলা শহরের চারটি পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া শহরের গুরুত্ব বেশ কয়েকটি পয়েন্টে সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হচ্ছে।